বিজয়ের মাসে বাংলাদেশ দলের কোচ পাকি সাকলায়েন- একি সহ্য হোতা হ্যায়? জাফর ইকবাল

Image
পাকিস্তানী রাজাকার যুদ্ধাপরাধীকে বাংলাদেশের জাতীয় দলের কোচ বানানোয় বাংলাদেশের খেলা দেখা ছেড়ে দিয়েছেন নাসা (NASA) র সর্বাকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ও বিশিষ্ট অনুবাদ সাহিত্যিক জাফর ইকবাল। বাংলাদেশের খেলার বদলে ঐ সময়টাতে মুন্নি বদনাম হুয়ি দেখে কাটাচ্ছেন তিনি। গতকাল বাংলাদেশের বিজয়ের পর মতির আলো পত্রিকায় লেখা তার নিয়মিত কলাম সাদাসিধে কথায় তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি সাকলায়েন মোস্তাককে দেশ থেকে বের করে দেওয়ারও দাবী জানান।

জাফর ইকবাল বলেন তিনি তাঁর জানা মতে কখনও কোনো পাকিস্তানীর সাথে হ্যান্ডশেইক করেন নি। যে টিভিতে পাকিস্তানী কাউকে দেখায় সেই টিভি তিনি দেখেন না। একই কারনে তিনি সেজান জুস খান না। তিনি কিভাবে সাকলায়েন মোস্তাক কে সহ্য করবেন? স্মৃতিচারন করে তিনি লিখেছেন বাংলাদেশ জেতার পর যখনই সাকলায়েন মাঠে নেমে এসে ক্রুর হাসি দেওয়া শুরু করল তখন তিনি একধরনের অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে সে দিকে তাকিয়ে ছিলেন।

তিনি লিখেছেন আমি অনেক চিন্তা করেছি, কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারিনি, কেমন করে বাংলাদেশের মতো রক্তস্নাত একটি দেশে, যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে, সেখানে একজন মানুষ মুক্তিযুদ্ধ কিংবা মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা ড়াজাকার আলবদ্র জামায়াত শিবিরের সাহায্যকারী দোসর পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া একজন দাঁড়িওয়ালা মুশকো জওয়ানকে কিভাবে বাংলাদেশের বোলিং কোচ বানানো হল?

তিনি লিখেছেন তিনি খুব আশাহত হয়েছেন। তবে বাংলাদেশের লোমশ তরুন সমাজের একমাত্র কন্ঠস্বর বমি বহমান শিয়াল তাকে হতাশ করেনি- সে এব্যাপারে কর্মসূচী ঘোষনা করেছে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে যৌবনযাত্রা পর্নসাইটে সাকলায়েন এর স্ক্যন্ডাল আপলোড করা, “মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোন” নামের ফেছবুক পেইজ থেকে সেই স্ক্যান্ডাল শেয়ার ও লাইক দেওয়া, আমারব্লগে গোটা দুইটা ব্লগ পোস্ট লেখা ও স্টিকি করা এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সাকলায়েনের ডামি নিতম্ব প্রতিস্থাপন করে সেখানে নিয়ম করে সকাল বিকাল ঘৃণা জানাতে যাওয়া।

সেজান জুস পাকিস্তানি হওয়ায় সেজান জুস বর্জন করলেও নিজের স্ত্রীর হাতের রান্না কেন বর্জন করছেন না এই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন সে ৭১ এর আগে পাকিস্তানে ছিল, পরে না, সে হিসাবে তো আমিও পাকিস্তানী।

জাফর ইকবাল জানিয়েছেন যতদিন সাকলায়েন দেশ ছেড়ে না যাচ্ছেন ততদিন তিনি লুংগি পড়বেন না। সম্প্রতি মতির আলোতে কোনো লেখা লিখে ইন্টারনেটে লুংগি খুলে যাওয়ার সম্মুখিন হওয়াতে তার এই সিদ্ধান্ত কিনা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আপনে একটা ইয়াং লুক, আপনে জামাতের জন্য কাজ করেন আপনার লইজ্জা করেনা?

 

গোলাম আজম গ্রেফতার হওয়ায় গুগল তার লোগো পরিবর্তন করে হাসির স্মাইলি দিল

কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, স্বাধীনতাবিরোধি, খুনি, ধর্ষক, লুটপাটকারী, অগ্নিসংযোগকারী, বাংলাদেশের শেয়ার কেলেংকারীর মহানায়ক গোলাম আজমকে গ্রেফতার করার খবরে আনন্দের বন্যা বইছে গুগল হেডকোয়ার্টারে। গ্রেফতারের খবর পাওয়ার পরপরই গুগলের লোগো চেঞ্জ হয়ে একটি আনন্দের স্মাইলিতে পরিনত হয়।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায় গুগল বহুদিন ধরে এরকম এক সংবাদ শোনার জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছিল। অধীর আগ্রহের ফলে মাঝে মাঝে গুগলের ওয়েব সার্ভিস স্লো হয়ে যাচ্ছিল।
শাদা দাঁড়িওয়ালা এই নেতার গ্রেফতারে আনন্দের হিন্দোল বয়ে যায় পুরো গুগল পরিবারে।
গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয় তারা এই শুভসংবাদ পেয়েই দরগায় দুইটি মোরগ সদকা করেছে। তবে মোরগের দাম বেশি হওয়ায় বেশি মোরগ সদকা দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানান গুগলের এক নারী মুখপত্র। ঐ মুখপত্র এই বাড়তি দ্রব্যমূল্যের জন্য গোলাম আজমকে দায়ী করেন।

এখানে প্রসংগত উল্লেখ করা যেতে পারে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় গোলাম আজম প্রায় ৩০০০০০০০০০০ মানুষ হত্যা করেছিলেন। উইকিপিডিয়া জানাচ্ছে, গোলাম আজম এর নির্দেশে পাকিস্তান আর্মি কাজ করত। গোলাম আজম তার শাহী হারেমে বসে হুকা টানতে টানতে হুকুম করত আর পাকিস্তান আর্মি গণহত্যা চালাত। উইকিপিডিয়া আরো জানাচ্ছে প্রকৃত প্রস্তাবে সেসময় পাকিস্তান আর্মির নেপথ্য সর্বাধিনায়ক ছিল গোলাম আজম রেফারেন্সঃ “একটি শাহরিয়ার কবীর প্রযোজনা”।

গুগলের লোগো

গুগোল কেলায়

আবুল’ জুনিয়র ও সিনিয়র এর মধ্যে নাম নিয়ে বিরোধ!!

‘আবুল’ জুনিয়র ও সিনিয়র এর মধ্যে নাম নিয়ে মতোবিরোধ দেখা দিয়েছে। আবুল সিনিয়র “আবুল মাল” গতকাল এক বৈঠক পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে নিজের দাবীর পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন “আমার নাম আবুল মাল আব্দুল মহিত। সবাই আমাকে ‘আবুল’ নামে ডাকে। আমিও এতে মজা পাই। কিন্তু জুনিয়র ‘আবুল’ এর কারণে আমি আমার নাম হারাতে বসেছি।” তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার সময় নৌ মন্ত্রী শাহজাহান তার সাথে ছিলেন।
গতকালের এক বৈঠকে নৌমন্ত্রী যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষন করার জন্য “আবুল” নামে তাকে সম্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত অর্থমন্ত্রী নৌমন্ত্রীর কথার প্রতিবাদ করে বৈঠক থেকে ওয়াক আউট করেন। পরে অর্থমন্ত্রীকে স্যরি বলায় তিনি বৈঠকে যোগদান করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিষয়টি ক্লিয়ার করার জন্য অর্থমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলন এর আয়োজন করেন।

আমার আবুল হাসে

কারও হাসির সৌন্দর্যই কারও চাইতে কম না


সাংবাদিক সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী নিজের নামের পক্ষে জোরালো দাবী উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন,“এ নাম আমার । আমাকে ‘আবুল’ নামে সবার কাছে পরিচিত। এমনকি অনেক বিদেশী দাতা সংস্থায়ও আমাকে প্রধানমন্ত্রী ‘আবুল’ নামে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। এক নামে আমি দেশে বিদেশে পরিচিত। যোগাযোগ মন্ত্রী ‘আবুল হোসেন’ এর নাম ‘হোসেন’ করা হোক। আমিই ‘আবুল’ আমাকেই সবাই ‘আবুল’ নামে ডাকুক।”

এ বিষয়ে যোগাযোগ মন্ত্রী “আবুল হোসেন” এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন-“তিনি তো ‘মাল’। উনার মাথায় এত বড় টাক দেখে অনেকেই ওনাকে ‘মাল’ নামে ডাকে। আমরাও উনাকে ‘মাল’ নামে ডাকতে চাই।” নিজের আবুল নামের পিছনে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন-“ছোট বেলা থেকে আমি একটু সহজ সরল । তখন থেকে সবাই আমাকে ‘আবুল’ নামে ডাকে। এমনকি আমার মাও ‘আবুল’ নামে ডাকে। আমি আমার মায়ের দেয়া নাম চেইঞ্জ করতে পারব না।”
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অর্থমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কয়েকদিনের মধ্যে এ বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রীপরিষদের মিটিং এর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় এর এক কর্মকর্তা।

পদ্মা সেতু বানিয়ে দেবে জাগো

দাতাদের অবহেলার মুখে চরম সংকটে পড়া পদ্মা সেতু অবশেষে আলোর মুখ দেখল। বাংলাদেশের একমাত্র ভবিষ্যত, স্বপ্নে দেখা ও স্বপ্নে পাওয়া তরুন প্রজন্ম জাগো এগিয়ে এসেছে পদ্মা সেতুর কাজ আঞ্জাম দিতে। গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে প্রকল্পের কাজ চূড়ান্ত হয় এবং মিটিং শেষ হওয়া মাত্রই জাগো’র সংগে বাংলাদেশ সরকার এর চুক্তি হয়। জাগোর পক্ষে চুক্তিতে সই করেন মেক আউট খ্যাত করভি রোকশানদ এবং বাংলাদেশ এর পক্ষে সই করেন সদা হাস্যময়ী যোগযোগ মন্ত্রী আবুল। এসময় মন্ত্রীপরিষদের অন্য আবুলও (সিনিয়র) উপস্তিত ছিলেন।

পদ্মা সেতুর ফান্ড সংগ্রহে পথশিশুদের সাথে নিয়ে কনসার্ট

চুক্তি অনুযায়ী আগামী বছরের জুলাই নাগাদ সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। দাতারা যখন মুখ ফিরিয়ে নিল তখন ঠিক কোথা থেকে এত বড় একটা কাজ এর ফান্ড জোগাড় সম্ভব হল? সাংবাদিক দের এমন প্রশ্নের জবাবে সম্ভাবনাময়ী তরুন করভী রোকশানদ জানান যে আসলে ব্যাপারটা খুব সহজ। এইটা আসলে একটা মাইক্রো কন্সেপ্ট। অনেকটা মাইক্রো ক্রেডিট এর মত। করভী বলেন,

“আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন আমাদের জাগোফাইড ভলান্টিয়ার্স কত কষ্ট করে পথশিশুদের ফুল নিজেরাই বিক্রি করে পথশিশুদের ভাগ্য ফিরাচ্ছে, দেশের দারিদ্রকে জাদুঘরে পাঠাচ্ছে। ঠিক একই ভাবে এখন থেকে আমাদের ভলান্টিয়ার্স ঢাকার রাস্তায় মাথায় করে ইঁট বেচবে। আর এব্যাপারে একটা গার্মেন্টস কম্পানির সাথে চুক্তিও হয়ে গেছে যে তারা নিতম্বের সাথে অনায়াসে দুটো ইঁট রাখা যায় এমন পকেট বিশিষ্ট জিনস এর প্যান্ট বানাবে। তবে মেয়েদের জন্য উজ্জ্বল রঙ এর ফতুয়ার সাথে এইটা ম্যাচ করানো যাচ্ছেনা কিছুতেই। যহোক জাগো দের ইট বেচা টাকা থেকে পদ্মা সেতুর ফান্ড জোগাড় করা হবে”।

ফুলের বদলে এবার ইঁট, পাথর, বাঁশ ইত্যাদি হাতে দেখা যাবে জাগো দের

করভী আরো জানান জাগোরা এই সেতুর শ্রমিক হিসেবে ভলান্টীয়ার করতেও খুব আগ্রহী। ইতিমধ্যে ভলান্টীয়ার হিসেবে নাম লিখিয়েছে তিহাত্তর হাজার ইংরেজী মাধ্যমের ছেলেমেয়ে। বাংলা মাধ্যম এর ছেলেমেয়েদের নেয়া হবে কিনা সেটা এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
চুক্তির ব্যাপারে আবুল (জুনিয়র) জানান তিনি বরাবরের মতই আশাবাদী। আর আবুল (মাল) জানান তিনি আসলে এই মাইক্রো কন্সেপ্টে পদ্মা সেতুর ফাইন্যান্সিং দেখে আপ্লুত হয়ে পড়েছেন। তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন বাংলাদেশের সকল সম্ভাবনার আধার করভী অবশ্যই অবশ্যই নোবেল পাবে। উল্লেখ্য এসময় করভী তার একটা ছোটখাট নোবেল প্রাপ্তির ছবি সাংবাদিকদের সামনে প্রকাশ করেন।

সেমি-নোবেল প্রাইজ হাতে বাংলাদেশের অমিত সম্ভাবনার আধার করভি রোকশানদ

এ সংক্রান্ত আরো তথ্য

পৃথিবীর ৯ হাজার কোটীতম শূয়রের বাচ্চাটা জন্ম নিল ভুরুংগামারীতে

হ্যা ঠিকই শুনেছেন। আপনি নিশ্চয়ই জানতেন আমাজনের গহীন জংগলেই হোক আর তেজগাঁও এর মেথর পাড়ায়ই হোক যেখানেই জন্মাক শুয়র তার হিসাব রাখা হচ্ছে মেলা দিন হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল জন্মেছে পৃথিবীর ৯ হাজার কোটীতম শুয়রের বাচ্চা। এতে আনন্দের আর শ্যাষ নাই। ও ইয়েহ!

প্রথম মুক্ত পরিবেশে শূকর ছানা

সদ্য জন্মানো শুয়রের বাবুটাকে বরণ করে নিতে দুই মন কচুর জিলাপী নিয়ে হাজির হয়েছিলেন যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল ও অর্থমন্ত্রী মাল। তারা উভয়েই জানান পৃথিবীর ৯ হাজার কোটি তম শুয়র যে বাংলাদেশে জন্মাবে এটা তারা ভাবতেই পারেননি। মাল জানান তিনি আপ্লুত। ওদিকে আরেক আবুল হাসির চোটে ভালমত কথাই বলতে পারছিলেন না। হেহে করে যা বললেন তার সারমর্ম হল কচুর জিলাপীর আইডিয়াটা তার মাথা থেকে এসেছে। এর পর প্রথম আলোর মতিউর রহমান শুয়রের বাচ্চাটার জন্য একটা ফিডার নিয়ে হাজির হন। তিনি জানান এই ৯ হাজার কোটিতম শুয়রের বাচ্চা “বদলে যাওয়ার” অংগিকার নিয়ে এসেছে। তিনি চান এখন থেকে শুয়রের বাবুরা অন্তত আর কচু না খাক এখন থেকে তারা ফিডার খাক।

এভাবেই শুকর ছানাকে স্বাগত জানাতে আসা অতিথিদের বরন করে মা শুয়র

ঠিক কোন পরিসংখ্যানের সূক্ষাতিসুক্ষ হিসাবের মাধ্যমে ভূরুংগামারিতে জন্মেও সেলিব্রেটি হওয়া থেকে রক্ষা পেলনা এই শুয়রের বাবুটি অথবা কোন চুলচেরা পদ্ধতিতে ঠিক নয়হাজার কোটিতম শুয়রের বাবু গোনা হল? সাংবাদিক দের এমন বেয়াড়া প্রশ্নের জবাবে UNFPA এর কর্মকর্তারা আধামিনিট কেশে গলা পরিস্কার করে যা জানালেন তার সারবক্তব্য হচ্ছে এটা একটা অনুমান মাত্র।

খবরের সোর্স

জামায়াতের কর্মীদের ব্যাগে লুকানো ছিল এটম বোম, আমাদের দক্ষ পুলিশ বাহিনী হাতেনাতে ধরে ফেলেছে- পুলিশ উপকমিশনার মনিরুল ইসলাম

“কী যে এক কান্ড হয়েছে, মুখ বেঁধে শিবির ক্যাডাররা সব ব্যাগ হাতে ঘুরতেছিল, তখনই আমাদের ২ জন কনস্টেবল এর সন্দেহ হয় যে এদের ব্যাগে এটম বোমা আছে। তখন এরা শিবির ক্যাডারদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং এটম বোম উদ্ধারে সমর্থ হয়। ভাগ্যিস এ যাত্রায় কোনো দূর্ঘটনা হয়নাই। তবে আরেক জায়গায় এটম বোম উদ্ধার করতে যেয়ে মৃদু করে ফুশ করে একটা বিস্ফোরণ হয়েছে এতে দুই কনস্টেবল এর বিচি খোয়া গেছে।এখন ভিডিও ফুটেজ দেখে শিবির ক্যাডারদের গ্রেফতার করা হবে”

এটম বোমা নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছে

এদিকে স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী সাহারা খাতুন মনে করছেন এটা “যুদ্দ অপরাদি” দের বিচার বানচাল করে দেওয়ার সুগভীর ষড়যন্ত্র। তিনি ভাবছেন এবার চিরুনী নয় রেজার অভিযান চালানো হবে। ম্যাডাম রেজার দিয়ে আসলে আপনি কী করবেন বলে ভাবছেন? এক সাংবাদিক এর এমন প্রশ্নে তিনি বলেন এটা অশ্লীল ইংগিতবাহী প্রশ্ন, উত্তর দেয়ার রুচি নেই।

ডিএমপি কমিশনার জানান, জামায়াতের এটম বোমা হামলায় কয়েক লাখ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। এছাড়া তিনি আরো বলেছেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল জবানবন্দীতে বলেছেন যে জামায়াত ইরান থেকে পারমানবিক টেকনলজি এবং উঃ কোরিয়া থেকে এটম বোমা পেয়েছে। জামায়াতের উদ্দেশ্য ছিল এটম বোমা দিয়ে আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম এর ভবন উড়িয়ে দেওয়া।

এছাড়া সভ্যদেশ, গনতন্ত্র, সভাসমিতি এসব ব্যাপারে তিনি যে সুগভির জ্ঞানপূর্ন বক্তব্য রেখে চলেছেন তার পেছনের রহস্য কী? এ প্রশ্নের জবাবে পুলিশ উপকমিশনার জানান, তিনি আসলে হার্ভাড কেনেডি স্কুল থেকে পলিটিকাল সাইন্স এ পড়াশোনা করেছেন। তার পিএইচডি থিসিস ছিল পলিটিকাল ইকনমি অফ পিউবিক হেয়ার।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে, আজ রাতে অপারেশন রেজার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

রাফাহ সীমান্ত খুলে দেওয়ায় ব্যাপক ডিম পাচার হওয়ার আশংকা করছে ইজরাইল

মিশর সম্প্রতি ফিলিস্তিনের গাযা সীমান্ত খুলে দেওয়ায় গাযা থেকে চোরাচালানীর আশংকা প্রকাশ করেছে ইজরাইল। ইজরাইলের হোম এফেয়ার্স দেখাশোনা করে যে মন্ত্রনালয় তার মুখপাত্র জানিয়েছেন যদি অনেক ডিম গাযা থেকে মিশরে পাচার হয়ে যায় তাহলে তা খুবই চিন্তার কারন। ডিমের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ইজরাইল তাদের ধুনফুন দাবী মিশরের কাছে তুলে ধরেছে।

এদিকে ইজরাইলের পশুসম্পদ মন্ত্রনালয় দাবী করেছে ডিমের সাথে সাথে প্রচুর দুম্বার পাছাও মিশরে দেদার পাচার হয়ে যাচ্ছে। দুম্বার পাছার অভাবে খুব হাহাকার পড়ে গেছে আশকেলোন থেকে নাজারেটস পর্যন্ত ইজরাইলের শহর থেকে গ্রামগুলোতে। এখন ডিম আর দুম্বার পাছার অভাবে কি খেয়ে ইজরাইলীরা বেঁচে থাকবে তা নিয়ে সবাই শঙ্কিত।

ডিমের অভাবে ইজরাইল দিশেহারা

পুরো বিষয়টা খতিয়ে দেখতে দফায় দফায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। দিশেহারা ইজরাইলি সরকার কনসালটেন্ট হিসাবে সাহারা খাতুনের নাম প্রস্তাব করেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসের ২য় সপ্তাহে সরেজমিন তদন্ত করতে ইজরাইল পৌঁছানোর কথা রয়েছে সাহারা খাতুন এর।

এদিকে এই ডিম পাচারকে কেন্দ্র করে যে পলিটিকাল ইকনমিটা গড়ে উঠেছে তা নিয়েই নতুন বইয়ের প্লট ঠিক করেছেন বোতলবাজ অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাত। বইটির সম্ভাব্য নাম পলিটিকাল ইকনমি অফ এগ স্মাগলিং উইথ রেফারেন্স টু মৌলবাদের অর্থনীতি। তিনি এই বইতে দেখাচ্ছেন যে আসলে ইরানের পারমানবিক প্রকল্পগুলোও টিকে আছে এই ডিম পাচারজনিত ব্যবসার মুনাফার উপরে।

এরকম সমৃদ্ধ দিন কি আবার ফিরে আসবে ইজরাইলের?


এদিকে ডিম পাচারের মত জাতীয় গুরুত্বপূর্ন ইস্যুতে ইজরাইলের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুভদৃষ্টি কামনা করেছে ইজরাইল। ডিমপাচার রোধ করার জন্য শীঘ্রী হামাসের উপর উপর্যুপুরি বিমান হামলা শুরু হবে এই ইংগিতও দিয়েছে ইজরাইল। ইজরাইলের অভিযোগ হামাস গোপনে ডিম পাচারের নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। এই প্রযুক্তিতে এখন আর বহন করে ডিম পাচার করতে হয়না। বাল্ক পরিমান ডীম ভাল করে লেপ তোষক মুড়ে রকেট লাঞ্চারের আগায় জুরে দিলেই তা পৌঁছে যাচ্ছে মিশরে। অন্যদিকে রুখবোই ডিম পাচার শীর্ষক ক্যাম্পেইন শুরু করেছেন লাস্যময়ী লেসবিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিপি লিভনী।

ইজরাইল থেকে ডিম পাচারের রুট এবং হামাসকে ডিম পাচারের অপরাধে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার নিশানা

%d bloggers like this: