পুঁজিবাজার ধসে ড. আতিয়ার রহমান এবং মাল মুহিত দায়ী: দরবেশ সালমান ফ রহমান

পুঁজিবাজার ধসে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ অনেকাংশেই দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড দরবেশ’স এর বাবাজী সালমান ফ রহমান। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে ধসের সময় বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর চশমা ছাড়া সূচক দেখছিলেন আর তার ল্যাপ্টপের মনিটরের ডিসপ্লে সেটিংস এ rotate 180 করা থাকায় তিনি সূচক উলটা দেখছিলেন। যখন সূচক পড়ে যাচ্ছিল তখন তিনি দেখছিলেন সূচক বেড়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

সালমানের হাত আতিয়ারের দিকে

পুঁজিবাজার ধসে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দায়ী করলেও নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন সালমান এফ রহমান। সংসদসহ পুঁজিবাজারের বিভিন্ন প্লাটফর্মে বাজার ধসে তিনি দায়ী বলে যে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সফল ব্যক্তিদের নিয়েই আলোচনা-সমালোচনা হয়। আপনারা তো দেখতেই পাচ্ছেন আমি গত কয়েক মাসে কী পরিমাণ সফল ব্যবসা করেছি। তাই আমাকে নিয়ে ওরা আসলে হিংসা করছে। তার এই সফলতার পিছনে তার দরবেশীর ভূমিকা কতটুকু তা বলতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।

দরবেশ বাবা

পুঁজিবাজার ধসে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে তার সম্পর্কে সতর্ক থাকতে সরকারকে পরামর্শ দেয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সালমান রহমান বলেন, নীতি নির্ধারণীতে সরকার আমাকে রাখবে কি না সেটা একান্তই সরকারের ব্যাপার। তবে আমি মনে করি এইসব ব্যাপারে মাল মুহিত এর উপর আস্থা রাখার দিন শেষ হয়েছে। মাল মুহিত আসলে আমার চেয়েও বুড়া। আর আমাকে দেখতে যেমনই লাগুক আমি কিন্তু আসলে অতটা বৃদ্ধ না। তিনি মাল মুহিতের আরো একটা বিষয় সবার দৃষ্টি আকর্ষন করেন। তিনি জানান,মাল মুহিতকে সকালে কোনো বিষয় জানালে তিনি দুপুরের লাঞ্চ আওয়ার পর্যন্ত তা মনে রাখতে পারেনা। এর পর তিনি ভূলে যান। এজন্যই আসলে পুঁজিবাজারের ধ্বসে খবর তিনি বেশিক্ষণ মনে রাখতে পারেননি। তিনি পরদিনও ভাবছিলেন পুঁজিবাজার বেশ তেজী ঘোড়ার মত এগিয়ে চলেছে। সেক্ষেত্রে একজন নতুন অর্থমন্ত্রীর প্রয়োজন হয়ে পড়েছে বলে দরবেশ রহমান মনে করেন।

নিজে দায়মুক্ত হয়ে মাল কে দুশছেন সালমান

আপনি কি নিজেকে নেক্সট অর্থমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান, সাংবাদিক দের এই প্রশ্নের জবাবে সালমান ফ বলেন, আসলে আমি চাই একজন বিজনেস সেক্টরের লোককে এই দ্বায়িত্ব দেওয়া হোক। সে খুব বয়স্কও হবেনা আবার একদম অল্পবয়সীও হবেনা। তার দাঁড়ি থাকা বাঞ্ছনীয়। আর দাঁড়ি পাকা হতে হবে। আর তিনি খুব সফলভাবে ব্যবসা করতে জানতে হবে।
আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে আপনি শেয়ারবাজার থেকে লুটের টাকার প্রতিশ্রুত অংশ থেকে আপনার উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দকে বঞ্ছিত করে বলেছেন যে আপনার আড়াই হাজার কোটি টাকা পকেটমার হয়ে গেছে, এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী? এক সাংবাদিকের এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এটা নিছক গুজব। তবে, আড়াই হাজার কোটি টাকা পকেটমার হয়ে গেছে একথা সত্য। তবে তিনি তার পকেটের সাইজ দেখাতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন এটা তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার।
তবে অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে ঠাডা প্রতিনিধি বাবার মন্ত্রটা উদ্ধার করেছেন,

আমার বাবা এফ রহমানী,
নামের গুনে আগুন হয় পানি
সূচক হৈয়া যায় নূরানী চাইলে এক নজর!
মন্ত্রী বানাইয়া দেরে
অক্ষন এই বছর

Advertisements

ভিন্ন খবর : মানুষ-রোবট পার্থক্য কমানোর চেষ্টা

মানুষ আর রোবটের মধ্যকার ব্যবধান আরও কমিয়ে আনার চেষ্টা করছেন জার্মানির বিজ্ঞানীরা। তারা মনে করছেন, রোবটকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আরও ব্যবহার করতে হলে একে আরও ব্যবহারবান্ধব করে গড়ে তুলতে হবে।

রোবট শব্দটি শুনলেই মনে হয় ধাতব কোনো যন্ত্র, যাকে কোনো নির্দেশনা দিলেই দ্রুত তা করে দিচ্ছে। কণ্ঠস্বরে যান্ত্রিকতা, দুই চোখের জায়গায় দুটি লাল বাতি। এখন পর্যন্ত এটাই সত্য। তবে এর আকৃতিতে পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। বিভিন্ন ধরনের ও আকারের রোবটও পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি যেসব বিজ্ঞানীরা ছিঁড়তে ছিঁড়তে বোরড হয়ে গেছে তারা নতুন ধরনের শুয়ার আকৃতির রোবোট বানিয়েছেন। এই রোবোটগুলার কাজকর্ম খুবই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ইজরাইলি বিজ্ঞানীদের মত হবে।

সেই যে শুয়ারটা

জার্মানির বিখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিলেফেল্ড কগনিটিভ ইন্টারেকটিভ টেকনোলজি সেন্টার অব এক্সেলেন্স তথা সাইটেক এবং রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর কগনিশন অ্যান্ড রোবোটিক্স তথা কোর-ল্যাবের বিজ্ঞানীরা চেষ্টা করছেন রোবটকে কিভাবে আরও মানুষের কাছাকাছি নিয়ে আসা যায়। এজন্য যে জিনিসটি সবার আগে প্রয়োজন তা হলো অনুভূতি। এই অনুভূতি তৈরীর প্রথম ধাপ হচ্ছে রোবোটরাও যাতে লুঙ্গি পড়তে পারে, অথবা প্রয়োজনের সময় আয়েশ করে আপছু চুলকাতে পারে সে ব্যাবস্থা করা হবে।

রোবট নিয়ে গবেষণার উদ্দেশ্যের ব্যাপারে বিজ্ঞানী হেলগে রিটারের কথা, তাদের দরকার নানা ধরনের সক্ষমতা। রোবটকে তার আশপাশের অবস্থা এবং আমি কী চাচ্ছি তা তাকে বুঝতে হবে। আসলে আমরা এমন মডেলের রোবট তৈরি করতে চাই, যে একজন ভালো গেলমান হতে পারবে। আগের আমলে রাজা বাদশাহ দের খোঁজাদের মত আরকি।

নতুন এই রোবট নিয়ে নানা ধরনের পরীক্ষা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। রোবটটি একটি বোয়াম ধরতে এবং সেটির মুখ খুলতে পারে কিনা তা তারা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছিল। খুব ধীরে হলেও শেষ পর্যন্ত রোবটটি তা করতে সক্ষম হলো। রোবটটিকে শুধু জিনিসপত্র ধরতেই শেখানো হচ্ছে না, বাচ্চাদের মতো করে আরও অনেক কিছু শেখানো হচ্ছে। এই যেমন দুই হাত পা ছড়িয়ে নাড়ানো, পাছু চুলকানো, ছেঁড়া ইত্যাদি।
তবে জার্মানীর বিজ্ঞানীরা রোবোটের সাথে মানুষের পার্থক্য কমাতে ব্যাপক ব্যাস্ত হলেও মানুষের সাথে মানুষের পার্থক্য কমাতে আগামী একহাজার বছরে কোনো পরিকল্পনা রাখেননি বলে জানিয়েছেন। জার্মানীর বিজ্ঞানীদের নেতা জানিয়েছেন, জাফর ইকবাল স্যার এর সায়েন্স ফিকশন পড়েই তিনি এ পেশায় উদ্বুদ্ধ হয়েছেন।

ইন্ডিয়ার বিশ্বজয় উপলক্ষে সকল সরকারী প্রতিষ্ঠান অর্ধদিবস বন্ধ থাকবে

মহাভারতের বিশ্বজয় উপলক্ষে বাংলাদেশের সকল সরকারী আধা সরকারী এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান আগামীকাল অর্ধদিবস বন্ধ থাকবে। বেলা বারোটার পর সকল অফিস বন্ধ করে ছুটি দিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

এদিকে ইন্ডিয়ার বিশ্বজয়ের ঠিক পর মূহূর্তে আমরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুখুকুর ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি আবেগের অতিশয্যের কারনে কথা বলতে না পারার জন্য আমাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। এসময় তিনি কোনো এক বিচিত্র কারনে আমাদের টেলিফোন অপারেটরকে মামা বলে ডাকছিলেন। তিনি এও বলেছেন পরে তিনি নিজেই ফোন করে ঠাডা প্রতিনিধির সাথে আলাপ করে নেবেন। প্রসংগত উল্লখ্য তাকে সাধারনত ফোনে পাওয়া অনেক কষ্টসাধ্য।

এদিকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট টুকটুকু বলেছেন কোনো বেসরকারী প্রতিষ্ঠান কাল ছুটী না দিলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে কদাচিৎ হেসে থাকেন যে টুকু তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে প্রতিটি বাক্যের শেষে ফিচকি ফিচকি হাসছিলেন।

ডিজিটাল জব্বার কাগুর নতুন শিশু থ্রিলার

বিজয় 3g মোবাইলে নতুন পেটেন্ট চামারীর কৌশলরত কাগু

বেরিয়েছে বেরিয়েছে!!! আমাদের সবার প্রিয় মোস্তফা জব্বার কাগু ছোট্ট সোনামণিদের জন্য এক সম্পূর্ণ শিশু থ্রিলার বই বের করেছেন। বইটির নাম “একটি প্যাটেন্ট চুরির গপ্পো” ।

বইতে জব্বার বেপারী নিজেই প্রধান চরিত্র । “বিজয় কি-বোর্ড সফটওয়্যার” এর প্যাটেন্ট চুরির শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানকে কেন্দ্র করে কাহিনী এগিয়েছে । রহস্যে ঘেরা বইটিতে পাতায় পাতায় টান টান উত্তেজনা ।বইটি পড়লে যে কেউ চলে যাবে এক ডিজিটাল চোরের রাজ্যে । এমনকি প্যাটেন্ট চুরির খেয়ালও মাথায় চেপে বসতে পারে ।
ভূমিকায় স্বাগত বার্তা লিখেছেন বুয়েটের মেধাবী ছাত্র মুনিরুল আবেদিন পাপ্পানা । অতি প্রত্যাশিত এই বইটি বের করার জন্য তিনি জব্বার বেপারীকে সাধুবাদ জানান । তিনি লিখেছেন,
“জব্বার ব্যাপারী ত ভালই আত্মজীবনী লিখেছেন । এবার আশা করি মানুষ বিজয় কি-বোর্ডের আসল ডেভেলাপারকে চিনতে পারবে” ।

ঝমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বইটির মোড়ক উন্মোচন হয় । অনুষ্ঠানের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম শেখ হাসিনার শারীরিক উপস্থিতি হয়ত ছিল না কিন্তু তার ডিজিটাল বার্তা প্রজেক্টরে দেখানো হয় ।জব্বার বেপারী আশা প্রকাশ করেন নতুন নতুন প্যাটেন্ট চুরি সম্ভব হলে “আনন্দ কম্পিউটার্স” এক সময় মাইক্রোসফট, ওরাকল, অটোডেস্ক এর মত জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে ।
একই দিনে ডিটিজাল বার্তা ও জব্বার বেপারীর স্বপ্নসাধ শুনে দর্শকরা হতবিহবল হয়ে যান । তারপর তারা করতালিতে মেতে উঠেন । “তাদের করতালি আওয়াজে পাশের গ্রহের আগ্নেয়গিরি ফেটে গেছে”, দাবী করেছেন নাসার এক বিজ্ঞানী ।অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক অভিভাবক আবেগে আপ্লোত হয়ে জব্বার বেপারী সম্পর্কে তাঁর অনুভুতি ব্যক্ত করেন, “চোর ত নয় যেন সাক্ষাত এক বুদ্ধির কুমরা” ।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিশুরা উল্লাসে লাফাচ্ছিল । তাদের একটাই কথা, “লিচু চোর দিয়ে আর কত খাব । এবার আসল চোরের গল্প শুনতে এসেছি” ।

যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার আইএমএফের প্রধানঃ এরশাদ আমার অনুপ্রেরনা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান দমিনিক স্ত্রস কানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গত শনিবার নিউইয়র্কে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিউইয়র্ক পুলিশের উপ-মুখপাত্র রায়ান সিসা সাংবাদিকদের জানান, স্ত্রস কানের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ, অবৈধভাবে আটকে রাখা ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। ৩২ বছর বয়সী এক নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, নিউইয়র্কের একটি হোটেলের কক্ষে কান ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই নারী ওই হোটেলেরই কর্মী। গ্রেপ্তারের পর প্রথম রাতের রিমান্ডে তিনি অজানা অনেক তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন লেজেহুমু এরশাদ তার আইডল, তার অনুপ্রেরনার উৎস।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ৬২ বছর বয়সী কান শনিবার এয়ার ফ্রান্সের একটি ফ্লাইটে করে জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার প্রাক্কালে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা বলেন,‘কানকে গ্রেপ্তারের পর তাঁকে কিছু সময় আমাদের হেফাজতেই রাখি। পরে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’ এনওয়াইপিডি রিমান্ডে অভিজ্ঞ লোক হিসাবে রেব এর একটি চৌকস দলকে আমন্ত্রন জানানোর কথা ভাবছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, কান তাঁর মুঠোফোন এবং ব্যক্তিগত কিছু জিনিসপত্র হোটেল স্যুটে রেখেই তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে গিয়ে প্যারিসগামী একটি বিমানে ওঠেন তিনি। বিমানটি ছাড়ার মিনিট দশেক আগে কানকে নামিয়ে আনা হয়। পুলিশ সূত্র জানায়, তারা জিজ্ঞাসাবাদে জানতে চেয়েছিলেন ৬২ বছর বয়সেও কিভাবে এত তেজ পান? এর জবাবে কান জানিয়েছেন এরশাদ ক্ষমতায় থাকা কালীন সময় থেকেই কান এরশাদকে ফলো করতেন। সে সময়ের এরশাদের ধর্ষকামীতা দ্বারা তিনি মারাত্নক প্রভাবিত। সেসময়ের আপাত যুবক এরশাদের প্রচুর লেডি কিল করার সাথে তিনি নিজের সাদৃশ্য টেনে নিজের কাজকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন আসলে ঐ মহিলার ছিনালীপনা দেখে তিনি নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। তিনি কেবলি ভাবছিলেন এরশাদ তার জায়গায় থাকলে কি করতেন?

ধর্ষনের আগে নিজেকে গুছিয়ে নিচ্ছেন কান

পুলিশ জানায়, দমিনিক কান শনিবার নিউইয়র্কের সোফিটেল হোটেলের একটি কক্ষে ওই হোটেলেরই একজন নারীকর্মীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই নারীকর্মী অভিযোগ করেন, তিনি দমিনিক কানের হোটেল স্যুটে প্রবেশ করলে কান তাঁর ওপর চড়াও হন। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ওই নারীকর্মীর বরাত দিয়ে জানায়, কক্ষ পরিপাটির কাজ করছিলেন তিনি। এ সময় কান তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এমএসএনবিসি টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই নারী কানের হোটেল স্যুট থেকে বেরিয়ে এসে বিষয়টি হোটেলের অন্য কর্মীদের জানান এবং পুলিশকে ফোন করেন। নারীকর্মী বলেন, “আমার কোনো দোষ নাই, আমি খুব শালীন লো স্কার্ট আর টাইট ভদ্র টপ্স পড়ে সামান্য কোমর দুলিয়ে মার্জিত ভাবে রুমে ঢুকেছিলাম”।

কানের বিরুদ্ধে ওঠা এ অভিযোগ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি আইএমএফ। তবে এক কর্মকর্তা অফ দ্যা রেকর্ড বলেছেন এরশাদের সংগ কিভাবে এই লোক পেল তা বড়ই কৌতুহল উদ্দীপক!
দমিনিক স্ত্রস কান ২০০৭ সাল থেকে আইএমএফের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৮ সালেও যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সেবার আইএমএফের উচ্চপদস্থ একজন নারী অর্থনীতিবিদের সঙ্গে এমন আচরণ করায় ক্ষমা চেয়েছিলেন কান। ১৯৬৭ সালে প্রথম বিয়ে করার পর আরও দুজনকে বিয়ে করেন কান। বর্তমান স্ত্রী সাংবাদিক অ্যান সিনক্লেয়ারকে বিয়ে করেন ১৯৯১ সালে। এএফপি।

আহ! অধৈর্য হবেন না! যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রজন্মের পর প্রজন্ম চলবে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে তার সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা যুদ্ধাপরাধ থুক্কু মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, বাংলাদেশে তাদের বিচার হবে, শাস্তি তাদের পেতেই হবে।

গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নিজস্ব ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্খাপন অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, তার সরকার স্বাধীনতার ৪০ বছর পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ ব্যাপারে অধৈর্য হলে চলবে না। কেননা তাড়াহুড়ায় ভুল হলে সর্বনাশ হবে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে। এটি একটি আগামী একশ বছরের প্রজেক্ট।

ইনশাআল্লাহ আমরা টাইম টু টাইম নিয়ম মাফিক ভাবে আপনাদের সামনে নতুন নতুন যুদ্ধাপরাধী হাজির করব এবং তাদের বিচার অব্যাহত রাখব। এই বিচার নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বাংলার মানুষ আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। যেহেতু এটি একটি প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম চলমান প্রক্রিয়া সেহেতু এব্যাপারে কোনো ছেদ রাখা যাবেনা। আমরা চল্লিশ বছর ধরে প্রস্তুতি নিয়েছি, কমপক্ষে আশি বছর তো বিচার চালু রাখতেই হবে।

যুদ্ধাপরাধ বিচারের প্রস্তুতি সভা

জিল্লুর রহমান অগ্রগতী ব্রিফ করছেন এক যুদ্ধাপরাধীকে

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ৮২ শতক জমির ওপর নির্মিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্খাপন করেন। উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জুরি বোর্ড জাদুঘর ভবনের নকশা নির্বাচন করেছেন। ইতোমধ্যে রাজউক নকশাটির অনুমোদনও দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর যুগ যুগ ধরে প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সুজলা-সুফলা বাংলাদেশকে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তার সরকার ক্ষুধা-দারিদ্র্য, অন্যায়-অবিচার ও শোষণ-বঞ্চনামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। তবে সেজন্য সবার আগে দরকার যুদ্ধাপরাধীদের থুক্কু মানবতা বিরোধীদের বিচার।

ঢাবিতে স্ট্যাম্প এর অভাবে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে লাঠি খেলা: আহত ৮

ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৮ জন আহত হয়েছে। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হলের মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকালে জগন্নাথ হলের প্রণব চন্দ্র দাশ বাবলু গ্রুপের কর্মীরা মাঠে ক্রিকেট খেলতে আসে। এর আগে রনি গ্রুপের কর্মীরা ওই মাঠে খেলার জন্য স্ট্যাম্প পুঁতে রাখে। বাবলু গ্রুপের কর্মীরা এসে ওই স্ট্যাম্প দিয়েই খেলা শুরু করে। পরে রনি গ্রুপের কর্মীরা মাঠে এসে তাদের খেলতে নিষেধ করে। তারা বলে বেশি কাবঝাব করলে তোদের প্রত্যেকের স্ট্যাম্প ছিড়ে ফেলব। একপর্যায়ে উভয় গ্রুপ লাঠি খেলা শুরু করে। এসময় উভয় দলই বলতে থাকে স্ট্যাম্প আসলে তাদের। এতে উভয় গ্রুপের ৮ জন আহত হয়। আহতরা হলো- বিশ্ব ধর্মতত্ত্ব বিভাগের ৪র্থ বর্ষের সৌরভ ও চিন্ময়, রাষ্ট্র বিজ্ঞান ৪র্থ বর্ষের নয়ন, একাউন্টিং ৪র্থ বর্ষের রুবেল, দুর্জয়, বাপ্পি ও চন্দন এবং নৃ-বিজ্ঞান ৪র্থ বর্ষের পুলক। পরে দুই দলের খেলার জন্য হল প্রশাসন পর্যাপ্ত মোটা লম্বা স্ট্যাম্প সরবরাহ করলে লাঠিখেলা বন্ধ হয়।

স্ট্যাম্পহীন কিছু উঠতি যুবক

আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে সৌরভ ও নয়নের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এত অসুস্থ হয়েও তারা হাসপাতালের বেডে শুয়ে বলতে থাকে আমাদের স্ট্যাম্প ওরা নিয়ে যাচ্ছে। ওদের শাস্তি দিন।

এ ব্যাপারে হলের প্রভোস্ট অজয় কুমার দাশ বলেন, ক্রিকেট খেলা নিয়ে ছাত্রদের মাঝে মারামারি হয়েছে। এ ঘটনায় ৩২ সদস্যের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত দোষীরা মাটির নিচে লুকিয়ে থাকলে তাদেরও শাস্তি দেয়া হবে। এঘটনার ছাত্রদল বা শিবির কোনোভাবে জড়িত কিনা তা পুংখানুপুংখভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।