জামায়াতের কর্মীদের ব্যাগে লুকানো ছিল এটম বোম, আমাদের দক্ষ পুলিশ বাহিনী হাতেনাতে ধরে ফেলেছে- পুলিশ উপকমিশনার মনিরুল ইসলাম

“কী যে এক কান্ড হয়েছে, মুখ বেঁধে শিবির ক্যাডাররা সব ব্যাগ হাতে ঘুরতেছিল, তখনই আমাদের ২ জন কনস্টেবল এর সন্দেহ হয় যে এদের ব্যাগে এটম বোমা আছে। তখন এরা শিবির ক্যাডারদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং এটম বোম উদ্ধারে সমর্থ হয়। ভাগ্যিস এ যাত্রায় কোনো দূর্ঘটনা হয়নাই। তবে আরেক জায়গায় এটম বোম উদ্ধার করতে যেয়ে মৃদু করে ফুশ করে একটা বিস্ফোরণ হয়েছে এতে দুই কনস্টেবল এর বিচি খোয়া গেছে।এখন ভিডিও ফুটেজ দেখে শিবির ক্যাডারদের গ্রেফতার করা হবে”

এটম বোমা নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছে

এদিকে স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী সাহারা খাতুন মনে করছেন এটা “যুদ্দ অপরাদি” দের বিচার বানচাল করে দেওয়ার সুগভীর ষড়যন্ত্র। তিনি ভাবছেন এবার চিরুনী নয় রেজার অভিযান চালানো হবে। ম্যাডাম রেজার দিয়ে আসলে আপনি কী করবেন বলে ভাবছেন? এক সাংবাদিক এর এমন প্রশ্নে তিনি বলেন এটা অশ্লীল ইংগিতবাহী প্রশ্ন, উত্তর দেয়ার রুচি নেই।

ডিএমপি কমিশনার জানান, জামায়াতের এটম বোমা হামলায় কয়েক লাখ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। এছাড়া তিনি আরো বলেছেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল জবানবন্দীতে বলেছেন যে জামায়াত ইরান থেকে পারমানবিক টেকনলজি এবং উঃ কোরিয়া থেকে এটম বোমা পেয়েছে। জামায়াতের উদ্দেশ্য ছিল এটম বোমা দিয়ে আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম এর ভবন উড়িয়ে দেওয়া।

এছাড়া সভ্যদেশ, গনতন্ত্র, সভাসমিতি এসব ব্যাপারে তিনি যে সুগভির জ্ঞানপূর্ন বক্তব্য রেখে চলেছেন তার পেছনের রহস্য কী? এ প্রশ্নের জবাবে পুলিশ উপকমিশনার জানান, তিনি আসলে হার্ভাড কেনেডি স্কুল থেকে পলিটিকাল সাইন্স এ পড়াশোনা করেছেন। তার পিএইচডি থিসিস ছিল পলিটিকাল ইকনমি অফ পিউবিক হেয়ার।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে, আজ রাতে অপারেশন রেজার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

%d bloggers like this: