গোলাম আজম গ্রেফতার হওয়ায় গুগল তার লোগো পরিবর্তন করে হাসির স্মাইলি দিল

কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার, স্বাধীনতাবিরোধি, খুনি, ধর্ষক, লুটপাটকারী, অগ্নিসংযোগকারী, বাংলাদেশের শেয়ার কেলেংকারীর মহানায়ক গোলাম আজমকে গ্রেফতার করার খবরে আনন্দের বন্যা বইছে গুগল হেডকোয়ার্টারে। গ্রেফতারের খবর পাওয়ার পরপরই গুগলের লোগো চেঞ্জ হয়ে একটি আনন্দের স্মাইলিতে পরিনত হয়।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায় গুগল বহুদিন ধরে এরকম এক সংবাদ শোনার জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছিল। অধীর আগ্রহের ফলে মাঝে মাঝে গুগলের ওয়েব সার্ভিস স্লো হয়ে যাচ্ছিল।
শাদা দাঁড়িওয়ালা এই নেতার গ্রেফতারে আনন্দের হিন্দোল বয়ে যায় পুরো গুগল পরিবারে।
গুগলের পক্ষ থেকে জানানো হয় তারা এই শুভসংবাদ পেয়েই দরগায় দুইটি মোরগ সদকা করেছে। তবে মোরগের দাম বেশি হওয়ায় বেশি মোরগ সদকা দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানান গুগলের এক নারী মুখপত্র। ঐ মুখপত্র এই বাড়তি দ্রব্যমূল্যের জন্য গোলাম আজমকে দায়ী করেন।

এখানে প্রসংগত উল্লেখ করা যেতে পারে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় গোলাম আজম প্রায় ৩০০০০০০০০০০ মানুষ হত্যা করেছিলেন। উইকিপিডিয়া জানাচ্ছে, গোলাম আজম এর নির্দেশে পাকিস্তান আর্মি কাজ করত। গোলাম আজম তার শাহী হারেমে বসে হুকা টানতে টানতে হুকুম করত আর পাকিস্তান আর্মি গণহত্যা চালাত। উইকিপিডিয়া আরো জানাচ্ছে প্রকৃত প্রস্তাবে সেসময় পাকিস্তান আর্মির নেপথ্য সর্বাধিনায়ক ছিল গোলাম আজম রেফারেন্সঃ “একটি শাহরিয়ার কবীর প্রযোজনা”।

গুগলের লোগো

গুগোল কেলায়

পৃথিবীর ৯ হাজার কোটীতম শূয়রের বাচ্চাটা জন্ম নিল ভুরুংগামারীতে

হ্যা ঠিকই শুনেছেন। আপনি নিশ্চয়ই জানতেন আমাজনের গহীন জংগলেই হোক আর তেজগাঁও এর মেথর পাড়ায়ই হোক যেখানেই জন্মাক শুয়র তার হিসাব রাখা হচ্ছে মেলা দিন হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল জন্মেছে পৃথিবীর ৯ হাজার কোটীতম শুয়রের বাচ্চা। এতে আনন্দের আর শ্যাষ নাই। ও ইয়েহ!

প্রথম মুক্ত পরিবেশে শূকর ছানা

সদ্য জন্মানো শুয়রের বাবুটাকে বরণ করে নিতে দুই মন কচুর জিলাপী নিয়ে হাজির হয়েছিলেন যোগাযোগ মন্ত্রী আবুল ও অর্থমন্ত্রী মাল। তারা উভয়েই জানান পৃথিবীর ৯ হাজার কোটি তম শুয়র যে বাংলাদেশে জন্মাবে এটা তারা ভাবতেই পারেননি। মাল জানান তিনি আপ্লুত। ওদিকে আরেক আবুল হাসির চোটে ভালমত কথাই বলতে পারছিলেন না। হেহে করে যা বললেন তার সারমর্ম হল কচুর জিলাপীর আইডিয়াটা তার মাথা থেকে এসেছে। এর পর প্রথম আলোর মতিউর রহমান শুয়রের বাচ্চাটার জন্য একটা ফিডার নিয়ে হাজির হন। তিনি জানান এই ৯ হাজার কোটিতম শুয়রের বাচ্চা “বদলে যাওয়ার” অংগিকার নিয়ে এসেছে। তিনি চান এখন থেকে শুয়রের বাবুরা অন্তত আর কচু না খাক এখন থেকে তারা ফিডার খাক।

এভাবেই শুকর ছানাকে স্বাগত জানাতে আসা অতিথিদের বরন করে মা শুয়র

ঠিক কোন পরিসংখ্যানের সূক্ষাতিসুক্ষ হিসাবের মাধ্যমে ভূরুংগামারিতে জন্মেও সেলিব্রেটি হওয়া থেকে রক্ষা পেলনা এই শুয়রের বাবুটি অথবা কোন চুলচেরা পদ্ধতিতে ঠিক নয়হাজার কোটিতম শুয়রের বাবু গোনা হল? সাংবাদিক দের এমন বেয়াড়া প্রশ্নের জবাবে UNFPA এর কর্মকর্তারা আধামিনিট কেশে গলা পরিস্কার করে যা জানালেন তার সারবক্তব্য হচ্ছে এটা একটা অনুমান মাত্র।

খবরের সোর্স

জামায়াতের কর্মীদের ব্যাগে লুকানো ছিল এটম বোম, আমাদের দক্ষ পুলিশ বাহিনী হাতেনাতে ধরে ফেলেছে- পুলিশ উপকমিশনার মনিরুল ইসলাম

“কী যে এক কান্ড হয়েছে, মুখ বেঁধে শিবির ক্যাডাররা সব ব্যাগ হাতে ঘুরতেছিল, তখনই আমাদের ২ জন কনস্টেবল এর সন্দেহ হয় যে এদের ব্যাগে এটম বোমা আছে। তখন এরা শিবির ক্যাডারদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং এটম বোম উদ্ধারে সমর্থ হয়। ভাগ্যিস এ যাত্রায় কোনো দূর্ঘটনা হয়নাই। তবে আরেক জায়গায় এটম বোম উদ্ধার করতে যেয়ে মৃদু করে ফুশ করে একটা বিস্ফোরণ হয়েছে এতে দুই কনস্টেবল এর বিচি খোয়া গেছে।এখন ভিডিও ফুটেজ দেখে শিবির ক্যাডারদের গ্রেফতার করা হবে”

এটম বোমা নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছে

এদিকে স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী সাহারা খাতুন মনে করছেন এটা “যুদ্দ অপরাদি” দের বিচার বানচাল করে দেওয়ার সুগভীর ষড়যন্ত্র। তিনি ভাবছেন এবার চিরুনী নয় রেজার অভিযান চালানো হবে। ম্যাডাম রেজার দিয়ে আসলে আপনি কী করবেন বলে ভাবছেন? এক সাংবাদিক এর এমন প্রশ্নে তিনি বলেন এটা অশ্লীল ইংগিতবাহী প্রশ্ন, উত্তর দেয়ার রুচি নেই।

ডিএমপি কমিশনার জানান, জামায়াতের এটম বোমা হামলায় কয়েক লাখ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। এছাড়া তিনি আরো বলেছেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল জবানবন্দীতে বলেছেন যে জামায়াত ইরান থেকে পারমানবিক টেকনলজি এবং উঃ কোরিয়া থেকে এটম বোমা পেয়েছে। জামায়াতের উদ্দেশ্য ছিল এটম বোমা দিয়ে আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম এর ভবন উড়িয়ে দেওয়া।

এছাড়া সভ্যদেশ, গনতন্ত্র, সভাসমিতি এসব ব্যাপারে তিনি যে সুগভির জ্ঞানপূর্ন বক্তব্য রেখে চলেছেন তার পেছনের রহস্য কী? এ প্রশ্নের জবাবে পুলিশ উপকমিশনার জানান, তিনি আসলে হার্ভাড কেনেডি স্কুল থেকে পলিটিকাল সাইন্স এ পড়াশোনা করেছেন। তার পিএইচডি থিসিস ছিল পলিটিকাল ইকনমি অফ পিউবিক হেয়ার।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে, আজ রাতে অপারেশন রেজার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

আহ! অধৈর্য হবেন না! যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রজন্মের পর প্রজন্ম চলবে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে তার সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা যুদ্ধাপরাধ থুক্কু মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, বাংলাদেশে তাদের বিচার হবে, শাস্তি তাদের পেতেই হবে।

গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নিজস্ব ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্খাপন অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, তার সরকার স্বাধীনতার ৪০ বছর পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ ব্যাপারে অধৈর্য হলে চলবে না। কেননা তাড়াহুড়ায় ভুল হলে সর্বনাশ হবে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে। এটি একটি আগামী একশ বছরের প্রজেক্ট।

ইনশাআল্লাহ আমরা টাইম টু টাইম নিয়ম মাফিক ভাবে আপনাদের সামনে নতুন নতুন যুদ্ধাপরাধী হাজির করব এবং তাদের বিচার অব্যাহত রাখব। এই বিচার নিরবচ্ছিন্ন রাখতে বাংলার মানুষ আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। যেহেতু এটি একটি প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম চলমান প্রক্রিয়া সেহেতু এব্যাপারে কোনো ছেদ রাখা যাবেনা। আমরা চল্লিশ বছর ধরে প্রস্তুতি নিয়েছি, কমপক্ষে আশি বছর তো বিচার চালু রাখতেই হবে।

যুদ্ধাপরাধ বিচারের প্রস্তুতি সভা

জিল্লুর রহমান অগ্রগতী ব্রিফ করছেন এক যুদ্ধাপরাধীকে

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ৮২ শতক জমির ওপর নির্মিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্খাপন করেন। উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে জুরি বোর্ড জাদুঘর ভবনের নকশা নির্বাচন করেছেন। ইতোমধ্যে রাজউক নকশাটির অনুমোদনও দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর যুগ যুগ ধরে প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সুজলা-সুফলা বাংলাদেশকে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তার সরকার ক্ষুধা-দারিদ্র্য, অন্যায়-অবিচার ও শোষণ-বঞ্চনামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। তবে সেজন্য সবার আগে দরকার যুদ্ধাপরাধীদের থুক্কু মানবতা বিরোধীদের বিচার।

বন্ধুরা তোরা কী করিস? ছিড়িস নাকি???

বানলাল্যান্ড নামে একটা দেশ ছিল। সেদেশের দামাল পোলারা ১৯৫২ সালে ২৩ ফেভ্রুয়ারী মায়ের ভাষায় কথা বলার জন্য জীবন দিছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই পোলারাই একদিন স্বাধীন হৈতে চাইছে। অসম্ভবকে বাস্তব বানাইছে। ১৯৭১ এর ডিসেম্বরের ১৫ তারিখ মগাজানোয়ারল্যান্ড এর মগাজানোয়ার দের খেদাইছে। কিন্তু এখন ২০১০ সাল। সেইদিন কি আর আছে? দিন বদলাইছে। মগা নাই তো কী হৈছে? হাগাল্যান্ড এর হাগাভাষী নর্তক বানলাল্যান্ড এ আসতেছে। টিকিট কাইট্টা চোপা দেহা লাগব। টিকিটের দাম মাত্র ২৫০০০ রুপায়া থুক্কু ডাকা।
Read more of this post

%d bloggers like this: