আবুল’ জুনিয়র ও সিনিয়র এর মধ্যে নাম নিয়ে বিরোধ!!

‘আবুল’ জুনিয়র ও সিনিয়র এর মধ্যে নাম নিয়ে মতোবিরোধ দেখা দিয়েছে। আবুল সিনিয়র “আবুল মাল” গতকাল এক বৈঠক পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে নিজের দাবীর পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন “আমার নাম আবুল মাল আব্দুল মহিত। সবাই আমাকে ‘আবুল’ নামে ডাকে। আমিও এতে মজা পাই। কিন্তু জুনিয়র ‘আবুল’ এর কারণে আমি আমার নাম হারাতে বসেছি।” তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার সময় নৌ মন্ত্রী শাহজাহান তার সাথে ছিলেন।
গতকালের এক বৈঠকে নৌমন্ত্রী যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষন করার জন্য “আবুল” নামে তাকে সম্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত অর্থমন্ত্রী নৌমন্ত্রীর কথার প্রতিবাদ করে বৈঠক থেকে ওয়াক আউট করেন। পরে অর্থমন্ত্রীকে স্যরি বলায় তিনি বৈঠকে যোগদান করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিষয়টি ক্লিয়ার করার জন্য অর্থমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলন এর আয়োজন করেন।

আমার আবুল হাসে

কারও হাসির সৌন্দর্যই কারও চাইতে কম না


সাংবাদিক সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী নিজের নামের পক্ষে জোরালো দাবী উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন,“এ নাম আমার । আমাকে ‘আবুল’ নামে সবার কাছে পরিচিত। এমনকি অনেক বিদেশী দাতা সংস্থায়ও আমাকে প্রধানমন্ত্রী ‘আবুল’ নামে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। এক নামে আমি দেশে বিদেশে পরিচিত। যোগাযোগ মন্ত্রী ‘আবুল হোসেন’ এর নাম ‘হোসেন’ করা হোক। আমিই ‘আবুল’ আমাকেই সবাই ‘আবুল’ নামে ডাকুক।”

এ বিষয়ে যোগাযোগ মন্ত্রী “আবুল হোসেন” এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন-“তিনি তো ‘মাল’। উনার মাথায় এত বড় টাক দেখে অনেকেই ওনাকে ‘মাল’ নামে ডাকে। আমরাও উনাকে ‘মাল’ নামে ডাকতে চাই।” নিজের আবুল নামের পিছনে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন-“ছোট বেলা থেকে আমি একটু সহজ সরল । তখন থেকে সবাই আমাকে ‘আবুল’ নামে ডাকে। এমনকি আমার মাও ‘আবুল’ নামে ডাকে। আমি আমার মায়ের দেয়া নাম চেইঞ্জ করতে পারব না।”
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অর্থমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কয়েকদিনের মধ্যে এ বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রীপরিষদের মিটিং এর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় এর এক কর্মকর্তা।

Advertisements

চীনের প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়া বাও এর সাথে খালেদা জিয়া মদ খাওয়ায় চীনে বিমান হামলার সিদ্ধান্ত নিল ওলামা লীগ

খালেদা জিয়া ২০০৫ সালে চীনের প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়া বাও এর সাথে একবার প্রচুর মদ খেয়ছিলেন। এর তীব্র প্রতিবাদ জানানোর ঈমানী দ্বায়িত্ব পালনে গতসপ্তাহে ওলামা লীগ একটি পোস্টার ছাপিয়েছে। এই পোস্টার থেকে খালেদা জিয়া কে বর্জন করার নৈতিক আহবান জানানো হয়েছে।

২০০৫ সালে ওয়েন জিয়া বাও এর সাথে প্রচুর মদ খেয়েছিলেন খালেদা জিয়া

ওলামা লীগ শীগ্রই বাংলাদেশকে একটি ছেকুলার ইসলামী রাষ্ট্র ঘোষনা করতে যাচ্ছে

সেখানে আরো বলা হয়েছে, মুসলিম প্রধান একটি দেশের বিরোধী দলীয় নেত্রী কিভাবে মদ খেতে পারেন। একই সংগে এই পোস্টারে আহবান জানানো হয়েছে যেহেতু চীন দেশের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাথে মদ খেয়েছিলেন তাই চীনে হামলা চালানোও আমাদের নৈতিক দ্বায়িত্ব।

পোস্টার প্রকাশনা অনুষ্ঠানে ওলামা লীগের সভাপতি বলেন যে, চীনে শীঘ্রী বিমান হামলা চালানো হবে। এ ব্যাপারে বিডিয়ার বিদ্রোহ খ্যাত মীর্জা আজম, নানক ও তাপসের সংগে তার কথা হয়েছে বলেও তিনি জানান। বাংলাদেশ আর্মির তরফে বন্ধু দেশ চীনে হামলার ব্যাপারে মৃদু প্রতিবাদ হওয়াতে ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা মীর ইলিয়াছ হোসাইন বিন হেলালী তাদের শাসিয়ে দিয়েছেন এই বলে যে কোনো হাঙ্কি পাঙ্কি করলে আরেকটা ২৫ শে ফেব্রুয়ারী ঘটিয়ে বিচি খুলে নেওয়া হবে।

Read more of this post

নোবেল পুরস্কার ফিরিয়ে দিন: হানিফ

কর ফাঁকির জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নোবেল পুরস্কার ফিরিয়ে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল-আলম হানিফ। তিনি বলেছেন, ড. ইউনুস যদি কর দিতেন তাহলে আজকে চালের দাম ৮ টাকা কেজি হত। তিনি কর ফাঁকি দেওয়াতে চালের দাম ৫০ টাকা হয়েছে। দেশের জন্য ড. ইউনূসকে কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। তার চাইতে আমার নাপিত অনেক ভাল।কী সুন্দর চুল ফেলে দেয়।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে যুবতীলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে বীরের জাতি হিসেবে পরিচিত করেছিলেন। আর ড. ইউনূস টাকা আনার জন্য গোটা জাতিকে ভিক্ষুকের জাতি হিসেবে পরিচিত করেছে। তিনি গোটা জাতিসহ ৩০ লাখ শহীদকে অপমান করেছেন। সুতরাং এতেই প্রমাণ হয় বঙ্গবন্ধু ড. ইউনুসের চাইতে ভাল লোক ছিলেন।

তিনি ড. ইউনূসের নোবেল পুরস্কার কেড়ে নিয়ে তা দ্রুত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে দিয়ে দেওয়ার জন্য আহবান জানান। এই দাবী মেনে নেওয়া না হলে তিনি আবার আব্দুল জলিল কে নিয়ে এসে নরোয়েজিয়ান কমিটিকে ট্রাম্পকার্ড দেখাবেন বলে হুশিয়ার করে দেন। ছাত্রলীগকেও তিনি এ ব্যাপারে চেতনা খাড়া করে সজাগ থাকতে বলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্য যুবতীরা বক্তৃতা করেন।

চালের দাম বাড়ানোর জবাব বিএনপিকে দিতে হবে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যেহেতু বিএনপি ক্ষমতায় আছে আর চালের দাম এখন ৬০ টাকা সেজন্য তাদেরকেই জবাবদিহি করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় এ কথা বলেন।

আমরা বলেছিলাম ১০ টাকা দরে চাল খাওয়াবো। সে প্রতিশ্রুতি অবশ্যই রক্ষা করতাম। কিন্তু যেহেতু এখন বিএনপি ক্ষমতায় আছে সে জন্য আমরা দাম ঠিক মত আয়ত্ত্বের মধ্যে আনতে পারছিনা। অচিরেই আমরা ক্ষমতায় এসে দাম আয়ত্ত্বের মধ্যে আনব।

বিএনপি দাম বাড়াইছে আর আমরা বাল ফালাইছি


জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসনের জাপা (এ) দলীয় সাংসদ নাসিম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র সেলিনা হায়াত আইভী, সাবেক সাংসদ ও আওয়ামী লীগের নেতা এ কে এম শামীম ওসমান, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবু জাহের প্রমুখ। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার (অব.) এনামুল হক, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিবিষয়ক সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া, সাংসদ সারাহ্ বেগম কবরী, গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক, নজরুল ইসলাম বাবু, আবদুল্লাহ আল কায়সার প্রমুখ।

বিপুলসংখ্যক মানুষ জাহাজ, লঞ্চ, নৌকা, ফেরি ও ট্রলারে চড়ে শীতলক্ষ্যাতীরের এই জনসভায় আসে। রং-বেরঙের পতাকায় সাজানো হয় সমাবেশস্থল ও নৌযানগুলো। ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ডে ছেয়ে যায় পুরো এলাকা।
জনসভায় যোগদানের আগে প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ১০০ মেগাওয়াট ও বন্দর উপজেলার মদনগঞ্জে ১০২ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের উদ্বোধন করেন।

বিশ্বব্যাপী খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সব সময়ই খাদ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে চাই। তিনি বলেন, দেশে ১১ লাখ টন খাদ্য মজুদ রয়েছে। খাদ্যের জন্য কেউ কষ্ট পাবে না। তবে যেহেতু আমাদের পিছনদিকে খুব প্রেসার পড়ছে তাই এজন্য বিএনপি কে সাইজ দেওয়া হবে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সারের দাম তিনবার কমানো হয়েছে। আমরা বিনামূল্যে সার দিব বলেছিলাম। দেখতেই পারছেন আমরা সারের জন্য কোনো দাম রাখছি না। যে দামটা আপনাদের দিতে হচ্ছে সেটা হচ্ছে সারের বস্তার দাম। এই দূর্মূল্যের বাজারে পাটের ঘাটতি থাকায় বস্তার দাম খুব বেরে গেছে সেজন্য এই অসুবিধা। সেচেও ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকার তাদের পাঁচ বছরে এক মেগাওয়াটও বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনি। অথচ আওয়ামী লীগ গত দুই বছরে এক হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বাবার আদর্শের রাজনীতি করি। প্রয়োজনে মা, বাবা, ভাইয়ের মতো রক্ত দিয়ে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করব। বাবার মত না পারি তবে কাছাকাছি ৭৪ এর মত দূর্ভিক্ষ না আনলে আমি কি আর বাপ কা বেটি?” সব শেষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর দলকে নির্বাচিত করার মাধ্যমে বিএনপির ক্ষমতার অবসান ঘটিয়ে আবার ১০ টাকার চালের দিন ফিরিয়ে আনার জন্য জনগনকে আহবান জানান। ঘেটু টেলিভিশন বিটিভি সম্পূর্ণ অনুষ্ঠান ভিডিও করে।

ড. ইউনূস এর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ মামলা

মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সংগঠিত মানবতা বিরোধী অপরাধ সংগঠনের অভিযোগে ড. মুহাম্মদ ইউনুসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ বাদী হয়ে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইবুনালে অভিযোগ দায়ের করেছে। গতকাল অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের পিপি গোলাম আরিফ টিপু অভিযোগটি দাখিল করেন। এই মামলায় চীফ প্রসিকিউটরের দ্বায়িত্বও তিনিই পালন করবেন।

সুইডেনে ধর্ষনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করছেন ইউনুস

মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭১ সালে ‘জোবরা’ গ্রামের সিকদারপাড়ার অভাবী নারী তুফিয়া খাতুনকে ধর্ষণে পাক বাহিনীকে সহায়তা করা এবং পরবর্তীতে গ্রামে ব্যাপক হত্যা ও অগ্নিসংযোগ এ ড. ইউনুস প্রত্যক্ষ ভাবে সহায়তা করেছিলেন মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে মামলার কোথাও এইকাজে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ কারী কোনো বাঙালীর নাম উল্লেখ করা হয়নি।

এই মামলার প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ঠাডাকে বলেন, কেউই আইনের উর্ধ্বে নয়। অপরাধ করে থাকলে শাস্তি পেতেই হবে। সে যেই হোকনা কেন। সরকারের কাজ হল সুবিচার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা।

এব্যাপারে ড. ইউনুস এর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইউনূসের ধর্ষকামীতায় মুগ্ধ পাকিস্তান সরকার ডাকটিকেট প্রকাশ করেছিল

ডেইলি স্টার ‘স্যাড জার্নালিজম’-এর উদাহরণ সৃষ্টি করেছে: পররাষ্ট্র সচিব

ভূঁড়িওয়ালা কায়েস

আমি অন রেকর্ড এ কথাগুলো বলতে চাই। গতকাল ডেইলি স্টারের মতো পত্রিকায় লিবিয়া পরিস্থিতিতে তিউনিসিয়া সফরে আমাকে নিয়ে যে সম্পাদকীয় বের হয়েছে এর আগে আমার সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন ছিল। আমার ভূঁড়ি নিয়ে কথা বলাও খুবই অন্যায় হয়েছে। এছাড়া আমি যা কিছু করেছি সবই করেছি শ্রদ্ধেয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুখুকুর নির্দেশে। আমি এ নিয়ে পত্রিকার এডিটর চামবাজ এ আলা কেলানী মাহফুজ এর সঙ্গে কথা বলেছি। সেখানে আমি যাদের সঙ্গে কথা বলেছি তা আপনাদের বলেছি। আপনারা কীভাবে এটি লিখতে পারেন? আমি ভূঁড়িওয়ালা হতে পারি কিন্তু লম্পট নই। লেখাটি পড়ে মনে হয়েছে আমি সেখানে লুকিয়ে লুকিয়ে বেরিয়েছি। সরকার লিবিয়া পরিস্থিতি নিয়ে কিছুই করেনি। এটি হরিবল, ভেরি স্যাড। আপনারা জানেন আমরা কতকিছু করেছি? আমরা ফোনে নিয়মিত শ্রমিকদের খোঁজ নিয়েছি। এমন কি মন্ত্রী দীপুখুকু ফোন করে তাদেরকে নিরাপদ জায়গায় সরে যাওয়ার বুদ্ধি দিয়েছেন। পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিবিয়া পরিস্থিত নিয়ে নিয়মিত বিফ্রিং করতে এসে ডেইলি স্টারের প্রতিনিধিকে লক্ষ্য করে সাংবাদিকদের তার ক্ষোভের কথা জানান।

দিপুখুকু

মিজারুল কায়েস বলেন, আমি সংবাদ সম্মেলনে সকলকে বলতে চাই এটি একটি স্যাড জার্নালিজমের উদাহরণ। এটি দুর্ভাগ্যজনক, শেম জার্নালিজমঃ খুবই দুঃখজনক। মতি আর মাহফুজ এর ডেইলীস্টার আমাদের সাথে এইরকম বাটপারি করবে এবং চামে পেয়ে এইভাবে আমাদের পাছুতে বাঁশ দিবে এটা আমাদের অপ্রত্যাশিত ছিল।

মাহফুজ আনামকে ব্যক্তিগতভাবে ফোনও করেছি কিন্তু এর পরেও সন্ধ্যা পর্যন্ত কেউ ফোন ব্যাক করেনি। আমি তার আচরনে কান্নায় ভেংগে পড়ি। আমি ওকে আর কখনও ফোন করব না, না, না! আমরা আসলে বুঝতে ভূল করেছিলাম যে মাহফুজ আনাম কত বড় জাউড়া আর তার ঘাড়ে কয়টা মাথা। সে যে আসলে আমাদের চাইতেও বড় দালাল সেটা এখন বুঝতে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না।

FRIENDS OF হাসিনা গঠন


বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মান ইজ্জতের যে ফালুদাকরন প্রক্রিয়া চলছে তা থেকে আশু রোগমুক্তির জন্য Yunus (যাকে ড. হাসিনা সুদখোর বলে থাকেন) এর Friends of Yunus এর মত ড. হাসিনার জন্য FRIENDS OF HASINA (FOH) গঠন করা হয়েছে। এতে থাকছে সাদা চামড়ার কিছু ক্লাউন, ইন্ডিয়ান প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীগণ, কংগ্রেসের নেতা নেত্রীগণ, ইন্ডীয়ার কুদুর্কীশীল সমাজ, বলিউডের কিছু ছিনাল অভিনেতা-নেত্রী, কিছু জাওয়ানী ঘেটু অভিনেতা নেত্রী এবং বিএসএফ জওয়ানরা।

FRIENDS OF HASINA র প্রথম কার্যকরী কমিটির মিটিং এ হাসিনার উপরে গ্রামীন ব্যাংক এর অত্যাচার নিপিড়নের তীব্র সমালোচনা করা হয়। কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়, ড. হাসিনা একজন অর্ধশতাধিক ডক্টর অব ফিলসোফী ও ডিলিট উপাধি প্রাপ্ত বিশিষ্ট সজ্জন ব্যাক্তি। তার লগি-বৈঠাশিল্পে গ্রামীন ব্যাংক ঋণ দেওয়া বন্ধ করা এবং হাসিনার রাণীপ্রাসাদের টিন খুলে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে গ্রামীন মারাত্নক অন্যায় করেছে। গ্রামীন অবিলম্বে অত্যাচার নিপিড়ন বন্ধ না করলে গ্রামীন এর উপরে বিএসএফ লেলিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

এসময় একজন ছিনাল বলিউড নেত্রী উঠে দাঁড়িয়ে হুমকি দেন যে হাসিনার কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে। এমনকি তিনি এরকম কঠোর হুশিয়ারীও দেন যে বলিউড তাদের পন্য বাংলাদেশে যাতে কিছুতেই না পৌঁছায় সেজন্য টিভি চ্যানেল গুলোকে অনুরোধও করতে পারে। এই হুমকি শুনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন সাংবাদিক হার্টস্ট্রোক করেন। এরপরজাওয়ানীর কিছু ঘেটু নেতা কনুই দিয়ে বলিউড নেতাদের গুঁতিয়ে বলেছিলেন এই ছোটলোক আমাদের কথা বলতে দিবিনা? কিন্তু বলিউড নেতারা তাদের কোনো সুযোগ না দিয়ে চাপে মাইক সরিয়ে নেন। এছাড়া কিছু বোতলবাজ ভাড়াটে আরব শেখ FRIENDS OF HASINA র স্পন্সরশিপ দিতে রাজি হয়েছেন

%d bloggers like this: