যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার আইএমএফের প্রধানঃ এরশাদ আমার অনুপ্রেরনা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান দমিনিক স্ত্রস কানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গত শনিবার নিউইয়র্কে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিউইয়র্ক পুলিশের উপ-মুখপাত্র রায়ান সিসা সাংবাদিকদের জানান, স্ত্রস কানের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ, অবৈধভাবে আটকে রাখা ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। ৩২ বছর বয়সী এক নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, নিউইয়র্কের একটি হোটেলের কক্ষে কান ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই নারী ওই হোটেলেরই কর্মী। গ্রেপ্তারের পর প্রথম রাতের রিমান্ডে তিনি অজানা অনেক তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন লেজেহুমু এরশাদ তার আইডল, তার অনুপ্রেরনার উৎস।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ৬২ বছর বয়সী কান শনিবার এয়ার ফ্রান্সের একটি ফ্লাইটে করে জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার প্রাক্কালে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা বলেন,‘কানকে গ্রেপ্তারের পর তাঁকে কিছু সময় আমাদের হেফাজতেই রাখি। পরে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’ এনওয়াইপিডি রিমান্ডে অভিজ্ঞ লোক হিসাবে রেব এর একটি চৌকস দলকে আমন্ত্রন জানানোর কথা ভাবছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, কান তাঁর মুঠোফোন এবং ব্যক্তিগত কিছু জিনিসপত্র হোটেল স্যুটে রেখেই তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে গিয়ে প্যারিসগামী একটি বিমানে ওঠেন তিনি। বিমানটি ছাড়ার মিনিট দশেক আগে কানকে নামিয়ে আনা হয়। পুলিশ সূত্র জানায়, তারা জিজ্ঞাসাবাদে জানতে চেয়েছিলেন ৬২ বছর বয়সেও কিভাবে এত তেজ পান? এর জবাবে কান জানিয়েছেন এরশাদ ক্ষমতায় থাকা কালীন সময় থেকেই কান এরশাদকে ফলো করতেন। সে সময়ের এরশাদের ধর্ষকামীতা দ্বারা তিনি মারাত্নক প্রভাবিত। সেসময়ের আপাত যুবক এরশাদের প্রচুর লেডি কিল করার সাথে তিনি নিজের সাদৃশ্য টেনে নিজের কাজকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন আসলে ঐ মহিলার ছিনালীপনা দেখে তিনি নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। তিনি কেবলি ভাবছিলেন এরশাদ তার জায়গায় থাকলে কি করতেন?

ধর্ষনের আগে নিজেকে গুছিয়ে নিচ্ছেন কান

পুলিশ জানায়, দমিনিক কান শনিবার নিউইয়র্কের সোফিটেল হোটেলের একটি কক্ষে ওই হোটেলেরই একজন নারীকর্মীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই নারীকর্মী অভিযোগ করেন, তিনি দমিনিক কানের হোটেল স্যুটে প্রবেশ করলে কান তাঁর ওপর চড়াও হন। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ওই নারীকর্মীর বরাত দিয়ে জানায়, কক্ষ পরিপাটির কাজ করছিলেন তিনি। এ সময় কান তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এমএসএনবিসি টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই নারী কানের হোটেল স্যুট থেকে বেরিয়ে এসে বিষয়টি হোটেলের অন্য কর্মীদের জানান এবং পুলিশকে ফোন করেন। নারীকর্মী বলেন, “আমার কোনো দোষ নাই, আমি খুব শালীন লো স্কার্ট আর টাইট ভদ্র টপ্স পড়ে সামান্য কোমর দুলিয়ে মার্জিত ভাবে রুমে ঢুকেছিলাম”।

কানের বিরুদ্ধে ওঠা এ অভিযোগ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি আইএমএফ। তবে এক কর্মকর্তা অফ দ্যা রেকর্ড বলেছেন এরশাদের সংগ কিভাবে এই লোক পেল তা বড়ই কৌতুহল উদ্দীপক!
দমিনিক স্ত্রস কান ২০০৭ সাল থেকে আইএমএফের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৮ সালেও যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সেবার আইএমএফের উচ্চপদস্থ একজন নারী অর্থনীতিবিদের সঙ্গে এমন আচরণ করায় ক্ষমা চেয়েছিলেন কান। ১৯৬৭ সালে প্রথম বিয়ে করার পর আরও দুজনকে বিয়ে করেন কান। বর্তমান স্ত্রী সাংবাদিক অ্যান সিনক্লেয়ারকে বিয়ে করেন ১৯৯১ সালে। এএফপি।

Advertisements

চীনের প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়া বাও এর সাথে খালেদা জিয়া মদ খাওয়ায় চীনে বিমান হামলার সিদ্ধান্ত নিল ওলামা লীগ

খালেদা জিয়া ২০০৫ সালে চীনের প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়া বাও এর সাথে একবার প্রচুর মদ খেয়ছিলেন। এর তীব্র প্রতিবাদ জানানোর ঈমানী দ্বায়িত্ব পালনে গতসপ্তাহে ওলামা লীগ একটি পোস্টার ছাপিয়েছে। এই পোস্টার থেকে খালেদা জিয়া কে বর্জন করার নৈতিক আহবান জানানো হয়েছে।

২০০৫ সালে ওয়েন জিয়া বাও এর সাথে প্রচুর মদ খেয়েছিলেন খালেদা জিয়া

ওলামা লীগ শীগ্রই বাংলাদেশকে একটি ছেকুলার ইসলামী রাষ্ট্র ঘোষনা করতে যাচ্ছে

সেখানে আরো বলা হয়েছে, মুসলিম প্রধান একটি দেশের বিরোধী দলীয় নেত্রী কিভাবে মদ খেতে পারেন। একই সংগে এই পোস্টারে আহবান জানানো হয়েছে যেহেতু চীন দেশের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাথে মদ খেয়েছিলেন তাই চীনে হামলা চালানোও আমাদের নৈতিক দ্বায়িত্ব।

পোস্টার প্রকাশনা অনুষ্ঠানে ওলামা লীগের সভাপতি বলেন যে, চীনে শীঘ্রী বিমান হামলা চালানো হবে। এ ব্যাপারে বিডিয়ার বিদ্রোহ খ্যাত মীর্জা আজম, নানক ও তাপসের সংগে তার কথা হয়েছে বলেও তিনি জানান। বাংলাদেশ আর্মির তরফে বন্ধু দেশ চীনে হামলার ব্যাপারে মৃদু প্রতিবাদ হওয়াতে ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা মীর ইলিয়াছ হোসাইন বিন হেলালী তাদের শাসিয়ে দিয়েছেন এই বলে যে কোনো হাঙ্কি পাঙ্কি করলে আরেকটা ২৫ শে ফেব্রুয়ারী ঘটিয়ে বিচি খুলে নেওয়া হবে।

Read more of this post

নিজের কলিগদের বিশ্বাস করতে পারছেন না ডা. প্রানগোপাল

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ভিসি অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের আস্থা নেই বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাস পা তালের ওপর। তাই তিনি আজ-কালের মধ্যে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন চিকিত্সা নেয়ার জন্য। তিনি বেশ কয়েকদিন ধরে প্রোস্ট্রেটগ্ল্যান্ডের রোগে ভুগছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। শুধু ভিসিই নন, এর আগে বিএসএমএমইউ হাসপাতালের প্রক্টরও ইন্ডিয়ায় গিয়ে চিকিত্সা নিয়ে আসেন বলে জানা গেছে।

সহকর্মীদের হাতের খেলাকে ভয় করছেন প্রাণগোপাল


বিএসএমএমইউ সূত্র জানায়, অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত বেশ কিছুদিন ধরে প্রোস্ট্রেটগ্ল্যান্ডের রোগে ভুগছেন। তার অবস্থার অবনতি হলে তিনি গ্রিনরোডের গ্রিন লাইফ হাসপাতালে চিকিত্সা নেয়া শুরু করেন। এব্যাপারে তার ঘনিষ্ঠজনরা জানান তিনি বিএসএমএমইউ এর ডাক্তারদেরকে মূর্খ এবং চামার মনে করেন। তিনি মনে করেন তার কলিগরা।

সূত্র জানায়, দেশের একজন বিশিষ্ট ইউরো অনকোলজির অধ্যাপক তার চিকিত্সা দিচ্ছেন। তাকে উচ্চমাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হচ্ছে। এ নিয়ে গতকাল বিএসএমএমইউ হাসপাতালের চিকিত্সকদের মধ্যে বেশ গুঞ্জন শোনা যায়। বিএসএমএমইউ হাসপাতালের ভিসির নিজের হাসপাতালের ওপরই আস্থা নেই। চিকিত্সা নিতে তিনি বিদেশে যাচ্ছেন। সেখানকার নার্সরা অপরূপা সুন্দরী। তাদের গা থেকে গন্ধ বের হয় না।

চিকিত্সকরা বলছেন, ভিসি নিজেই ‘বিএসএমএমইউকে সেন্টার অব এক্সিলেন্স’-এ পরিণত করার ঘোষণা দেন। অথচ এই সেন্টার অব এক্সিলেন্সের প্রতি তার নিজেরই কোনো আস্থা নেই। প্রাণগোপালের ভয় হচ্ছে এখানে ভর্তি হলে তার নিজের দলের এন্টি গ্রুপের লোকেরা গভীর ষড়যন্ত্র করে তারজন্য গায়ে দূর্গন্ধ ওয়ালা নার্স ঠিক করে দিতে পারে।

এ ব্যাপারে মঙ্গলবার রাতে অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্তের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তার অসুস্থতার কথা স্বীকার করে বলেন, গ্রিন লাইফ হাসপাতালে তিনি ভর্তি হননি। সেখানে তিনি বিয়ের দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন।

ভিসির অসুস্থতার ব্যাপারে বিএসএমএমইউর জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার মজুমদার জানান, চিকিত্সার জন্য বুধবার (আজ) রাতে ভিসি অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্তের সিঙ্গাপুর যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। যদি বুধবার রাতে না যান তাহলে দু-এক দিনের মধ্যে চিকিত্সার জন্য তিনি অবশ্যই বিদেশে যাবেন। ভিসির কী সমস্যা হয়েছে—জানতে চাইলে প্রশান্ত কুমার সঠিক জানেন না বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি বলেন, ভিসি গতকালও যথাসময়ে অফিসে এসে অফিস করেছেন। তবে বিএসএমএমিউ এর ক্যান্টিন এর খাবার একবার ঠেকায় পড়ে খাওয়ার পর থেকে এই প্রবলেম বেশী হচ্ছে বলে জানিয়েছে ক্যান্টিন বয় জাফর।

বিএসএমএমইউতে চিকিত্সা না নেয়ার বিষয়ে প্রশান্ত কুমার বলেন, ভিসির ইচ্ছা ছিল বিএসএমএমইউতে চিকিত্সা নেয়ার, কিন্তু তার পরিবারের আবদার রাখতে তিনি সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন। তার পরিবার সাধারনত কোনো আবদার করেন না। এই অনেক দিন পর একটা আবদার করায় তিনি না করতে পারেন নাই। এটা ছিল তার পক্ষ থেকে তার স্ত্রীকে দেওয়া তার ম্যারেজ ডের গিফট।

বিএসএমএমইউ সূত্র আরও জানায়, বিএসএমএমইউ’র শুধু ভিসিই নয়, এর আগে বিএসএমএমইউ’র প্রক্টর অধ্যাপক জাকারিয়া স্বপনও ভারত থেকে চিকিত্সা নিয়ে আসেন। এছারা সিনিয়র ডাক্তাররাও তাদের পরিবারের আবদার রাখতে ছেলেদের খতনা করাতে ব্যাংগ কক, মুম্বাই, সিংগাপুর গিয়ে থাকেন।

FRIENDS OF হাসিনা গঠন


বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মান ইজ্জতের যে ফালুদাকরন প্রক্রিয়া চলছে তা থেকে আশু রোগমুক্তির জন্য Yunus (যাকে ড. হাসিনা সুদখোর বলে থাকেন) এর Friends of Yunus এর মত ড. হাসিনার জন্য FRIENDS OF HASINA (FOH) গঠন করা হয়েছে। এতে থাকছে সাদা চামড়ার কিছু ক্লাউন, ইন্ডিয়ান প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীগণ, কংগ্রেসের নেতা নেত্রীগণ, ইন্ডীয়ার কুদুর্কীশীল সমাজ, বলিউডের কিছু ছিনাল অভিনেতা-নেত্রী, কিছু জাওয়ানী ঘেটু অভিনেতা নেত্রী এবং বিএসএফ জওয়ানরা।

FRIENDS OF HASINA র প্রথম কার্যকরী কমিটির মিটিং এ হাসিনার উপরে গ্রামীন ব্যাংক এর অত্যাচার নিপিড়নের তীব্র সমালোচনা করা হয়। কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়, ড. হাসিনা একজন অর্ধশতাধিক ডক্টর অব ফিলসোফী ও ডিলিট উপাধি প্রাপ্ত বিশিষ্ট সজ্জন ব্যাক্তি। তার লগি-বৈঠাশিল্পে গ্রামীন ব্যাংক ঋণ দেওয়া বন্ধ করা এবং হাসিনার রাণীপ্রাসাদের টিন খুলে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে গ্রামীন মারাত্নক অন্যায় করেছে। গ্রামীন অবিলম্বে অত্যাচার নিপিড়ন বন্ধ না করলে গ্রামীন এর উপরে বিএসএফ লেলিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

এসময় একজন ছিনাল বলিউড নেত্রী উঠে দাঁড়িয়ে হুমকি দেন যে হাসিনার কিছু হলে জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে। এমনকি তিনি এরকম কঠোর হুশিয়ারীও দেন যে বলিউড তাদের পন্য বাংলাদেশে যাতে কিছুতেই না পৌঁছায় সেজন্য টিভি চ্যানেল গুলোকে অনুরোধও করতে পারে। এই হুমকি শুনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত একজন সাংবাদিক হার্টস্ট্রোক করেন। এরপরজাওয়ানীর কিছু ঘেটু নেতা কনুই দিয়ে বলিউড নেতাদের গুঁতিয়ে বলেছিলেন এই ছোটলোক আমাদের কথা বলতে দিবিনা? কিন্তু বলিউড নেতারা তাদের কোনো সুযোগ না দিয়ে চাপে মাইক সরিয়ে নেন। এছাড়া কিছু বোতলবাজ ভাড়াটে আরব শেখ FRIENDS OF HASINA র স্পন্সরশিপ দিতে রাজি হয়েছেন

%d bloggers like this: