পদ্মা সেতু বানিয়ে দেবে জাগো

দাতাদের অবহেলার মুখে চরম সংকটে পড়া পদ্মা সেতু অবশেষে আলোর মুখ দেখল। বাংলাদেশের একমাত্র ভবিষ্যত, স্বপ্নে দেখা ও স্বপ্নে পাওয়া তরুন প্রজন্ম জাগো এগিয়ে এসেছে পদ্মা সেতুর কাজ আঞ্জাম দিতে। গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক শেষে প্রকল্পের কাজ চূড়ান্ত হয় এবং মিটিং শেষ হওয়া মাত্রই জাগো’র সংগে বাংলাদেশ সরকার এর চুক্তি হয়। জাগোর পক্ষে চুক্তিতে সই করেন মেক আউট খ্যাত করভি রোকশানদ এবং বাংলাদেশ এর পক্ষে সই করেন সদা হাস্যময়ী যোগযোগ মন্ত্রী আবুল। এসময় মন্ত্রীপরিষদের অন্য আবুলও (সিনিয়র) উপস্তিত ছিলেন।

পদ্মা সেতুর ফান্ড সংগ্রহে পথশিশুদের সাথে নিয়ে কনসার্ট

চুক্তি অনুযায়ী আগামী বছরের জুলাই নাগাদ সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। দাতারা যখন মুখ ফিরিয়ে নিল তখন ঠিক কোথা থেকে এত বড় একটা কাজ এর ফান্ড জোগাড় সম্ভব হল? সাংবাদিক দের এমন প্রশ্নের জবাবে সম্ভাবনাময়ী তরুন করভী রোকশানদ জানান যে আসলে ব্যাপারটা খুব সহজ। এইটা আসলে একটা মাইক্রো কন্সেপ্ট। অনেকটা মাইক্রো ক্রেডিট এর মত। করভী বলেন,

“আপনারা নিশ্চয়ই দেখেছেন আমাদের জাগোফাইড ভলান্টিয়ার্স কত কষ্ট করে পথশিশুদের ফুল নিজেরাই বিক্রি করে পথশিশুদের ভাগ্য ফিরাচ্ছে, দেশের দারিদ্রকে জাদুঘরে পাঠাচ্ছে। ঠিক একই ভাবে এখন থেকে আমাদের ভলান্টিয়ার্স ঢাকার রাস্তায় মাথায় করে ইঁট বেচবে। আর এব্যাপারে একটা গার্মেন্টস কম্পানির সাথে চুক্তিও হয়ে গেছে যে তারা নিতম্বের সাথে অনায়াসে দুটো ইঁট রাখা যায় এমন পকেট বিশিষ্ট জিনস এর প্যান্ট বানাবে। তবে মেয়েদের জন্য উজ্জ্বল রঙ এর ফতুয়ার সাথে এইটা ম্যাচ করানো যাচ্ছেনা কিছুতেই। যহোক জাগো দের ইট বেচা টাকা থেকে পদ্মা সেতুর ফান্ড জোগাড় করা হবে”।

ফুলের বদলে এবার ইঁট, পাথর, বাঁশ ইত্যাদি হাতে দেখা যাবে জাগো দের

করভী আরো জানান জাগোরা এই সেতুর শ্রমিক হিসেবে ভলান্টীয়ার করতেও খুব আগ্রহী। ইতিমধ্যে ভলান্টীয়ার হিসেবে নাম লিখিয়েছে তিহাত্তর হাজার ইংরেজী মাধ্যমের ছেলেমেয়ে। বাংলা মাধ্যম এর ছেলেমেয়েদের নেয়া হবে কিনা সেটা এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
চুক্তির ব্যাপারে আবুল (জুনিয়র) জানান তিনি বরাবরের মতই আশাবাদী। আর আবুল (মাল) জানান তিনি আসলে এই মাইক্রো কন্সেপ্টে পদ্মা সেতুর ফাইন্যান্সিং দেখে আপ্লুত হয়ে পড়েছেন। তিনি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন বাংলাদেশের সকল সম্ভাবনার আধার করভী অবশ্যই অবশ্যই নোবেল পাবে। উল্লেখ্য এসময় করভী তার একটা ছোটখাট নোবেল প্রাপ্তির ছবি সাংবাদিকদের সামনে প্রকাশ করেন।

সেমি-নোবেল প্রাইজ হাতে বাংলাদেশের অমিত সম্ভাবনার আধার করভি রোকশানদ

এ সংক্রান্ত আরো তথ্য

Advertisements

পুঁজিবাজার ধসে ড. আতিয়ার রহমান এবং মাল মুহিত দায়ী: দরবেশ সালমান ফ রহমান

পুঁজিবাজার ধসে বাংলাদেশ ব্যাংক বেশ অনেকাংশেই দায়ী বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড দরবেশ’স এর বাবাজী সালমান ফ রহমান। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে ধসের সময় বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর চশমা ছাড়া সূচক দেখছিলেন আর তার ল্যাপ্টপের মনিটরের ডিসপ্লে সেটিংস এ rotate 180 করা থাকায় তিনি সূচক উলটা দেখছিলেন। যখন সূচক পড়ে যাচ্ছিল তখন তিনি দেখছিলেন সূচক বেড়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার বিকেলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

সালমানের হাত আতিয়ারের দিকে

পুঁজিবাজার ধসে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দায়ী করলেও নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন সালমান এফ রহমান। সংসদসহ পুঁজিবাজারের বিভিন্ন প্লাটফর্মে বাজার ধসে তিনি দায়ী বলে যে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সফল ব্যক্তিদের নিয়েই আলোচনা-সমালোচনা হয়। আপনারা তো দেখতেই পাচ্ছেন আমি গত কয়েক মাসে কী পরিমাণ সফল ব্যবসা করেছি। তাই আমাকে নিয়ে ওরা আসলে হিংসা করছে। তার এই সফলতার পিছনে তার দরবেশীর ভূমিকা কতটুকু তা বলতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।

দরবেশ বাবা

পুঁজিবাজার ধসে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে তার সম্পর্কে সতর্ক থাকতে সরকারকে পরামর্শ দেয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সালমান রহমান বলেন, নীতি নির্ধারণীতে সরকার আমাকে রাখবে কি না সেটা একান্তই সরকারের ব্যাপার। তবে আমি মনে করি এইসব ব্যাপারে মাল মুহিত এর উপর আস্থা রাখার দিন শেষ হয়েছে। মাল মুহিত আসলে আমার চেয়েও বুড়া। আর আমাকে দেখতে যেমনই লাগুক আমি কিন্তু আসলে অতটা বৃদ্ধ না। তিনি মাল মুহিতের আরো একটা বিষয় সবার দৃষ্টি আকর্ষন করেন। তিনি জানান,মাল মুহিতকে সকালে কোনো বিষয় জানালে তিনি দুপুরের লাঞ্চ আওয়ার পর্যন্ত তা মনে রাখতে পারেনা। এর পর তিনি ভূলে যান। এজন্যই আসলে পুঁজিবাজারের ধ্বসে খবর তিনি বেশিক্ষণ মনে রাখতে পারেননি। তিনি পরদিনও ভাবছিলেন পুঁজিবাজার বেশ তেজী ঘোড়ার মত এগিয়ে চলেছে। সেক্ষেত্রে একজন নতুন অর্থমন্ত্রীর প্রয়োজন হয়ে পড়েছে বলে দরবেশ রহমান মনে করেন।

নিজে দায়মুক্ত হয়ে মাল কে দুশছেন সালমান

আপনি কি নিজেকে নেক্সট অর্থমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান, সাংবাদিক দের এই প্রশ্নের জবাবে সালমান ফ বলেন, আসলে আমি চাই একজন বিজনেস সেক্টরের লোককে এই দ্বায়িত্ব দেওয়া হোক। সে খুব বয়স্কও হবেনা আবার একদম অল্পবয়সীও হবেনা। তার দাঁড়ি থাকা বাঞ্ছনীয়। আর দাঁড়ি পাকা হতে হবে। আর তিনি খুব সফলভাবে ব্যবসা করতে জানতে হবে।
আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে আপনি শেয়ারবাজার থেকে লুটের টাকার প্রতিশ্রুত অংশ থেকে আপনার উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দকে বঞ্ছিত করে বলেছেন যে আপনার আড়াই হাজার কোটি টাকা পকেটমার হয়ে গেছে, এ ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কী? এক সাংবাদিকের এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এটা নিছক গুজব। তবে, আড়াই হাজার কোটি টাকা পকেটমার হয়ে গেছে একথা সত্য। তবে তিনি তার পকেটের সাইজ দেখাতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন এটা তার ব্যাক্তিগত ব্যাপার।
তবে অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে ঠাডা প্রতিনিধি বাবার মন্ত্রটা উদ্ধার করেছেন,

আমার বাবা এফ রহমানী,
নামের গুনে আগুন হয় পানি
সূচক হৈয়া যায় নূরানী চাইলে এক নজর!
মন্ত্রী বানাইয়া দেরে
অক্ষন এই বছর

যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার আইএমএফের প্রধানঃ এরশাদ আমার অনুপ্রেরনা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান দমিনিক স্ত্রস কানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গত শনিবার নিউইয়র্কে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিউইয়র্ক পুলিশের উপ-মুখপাত্র রায়ান সিসা সাংবাদিকদের জানান, স্ত্রস কানের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ, অবৈধভাবে আটকে রাখা ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। ৩২ বছর বয়সী এক নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, নিউইয়র্কের একটি হোটেলের কক্ষে কান ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই নারী ওই হোটেলেরই কর্মী। গ্রেপ্তারের পর প্রথম রাতের রিমান্ডে তিনি অজানা অনেক তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন লেজেহুমু এরশাদ তার আইডল, তার অনুপ্রেরনার উৎস।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ৬২ বছর বয়সী কান শনিবার এয়ার ফ্রান্সের একটি ফ্লাইটে করে জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার প্রাক্কালে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা বলেন,‘কানকে গ্রেপ্তারের পর তাঁকে কিছু সময় আমাদের হেফাজতেই রাখি। পরে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’ এনওয়াইপিডি রিমান্ডে অভিজ্ঞ লোক হিসাবে রেব এর একটি চৌকস দলকে আমন্ত্রন জানানোর কথা ভাবছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, কান তাঁর মুঠোফোন এবং ব্যক্তিগত কিছু জিনিসপত্র হোটেল স্যুটে রেখেই তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে গিয়ে প্যারিসগামী একটি বিমানে ওঠেন তিনি। বিমানটি ছাড়ার মিনিট দশেক আগে কানকে নামিয়ে আনা হয়। পুলিশ সূত্র জানায়, তারা জিজ্ঞাসাবাদে জানতে চেয়েছিলেন ৬২ বছর বয়সেও কিভাবে এত তেজ পান? এর জবাবে কান জানিয়েছেন এরশাদ ক্ষমতায় থাকা কালীন সময় থেকেই কান এরশাদকে ফলো করতেন। সে সময়ের এরশাদের ধর্ষকামীতা দ্বারা তিনি মারাত্নক প্রভাবিত। সেসময়ের আপাত যুবক এরশাদের প্রচুর লেডি কিল করার সাথে তিনি নিজের সাদৃশ্য টেনে নিজের কাজকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন আসলে ঐ মহিলার ছিনালীপনা দেখে তিনি নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। তিনি কেবলি ভাবছিলেন এরশাদ তার জায়গায় থাকলে কি করতেন?

ধর্ষনের আগে নিজেকে গুছিয়ে নিচ্ছেন কান

পুলিশ জানায়, দমিনিক কান শনিবার নিউইয়র্কের সোফিটেল হোটেলের একটি কক্ষে ওই হোটেলেরই একজন নারীকর্মীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই নারীকর্মী অভিযোগ করেন, তিনি দমিনিক কানের হোটেল স্যুটে প্রবেশ করলে কান তাঁর ওপর চড়াও হন। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ওই নারীকর্মীর বরাত দিয়ে জানায়, কক্ষ পরিপাটির কাজ করছিলেন তিনি। এ সময় কান তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এমএসএনবিসি টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই নারী কানের হোটেল স্যুট থেকে বেরিয়ে এসে বিষয়টি হোটেলের অন্য কর্মীদের জানান এবং পুলিশকে ফোন করেন। নারীকর্মী বলেন, “আমার কোনো দোষ নাই, আমি খুব শালীন লো স্কার্ট আর টাইট ভদ্র টপ্স পড়ে সামান্য কোমর দুলিয়ে মার্জিত ভাবে রুমে ঢুকেছিলাম”।

কানের বিরুদ্ধে ওঠা এ অভিযোগ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি আইএমএফ। তবে এক কর্মকর্তা অফ দ্যা রেকর্ড বলেছেন এরশাদের সংগ কিভাবে এই লোক পেল তা বড়ই কৌতুহল উদ্দীপক!
দমিনিক স্ত্রস কান ২০০৭ সাল থেকে আইএমএফের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৮ সালেও যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সেবার আইএমএফের উচ্চপদস্থ একজন নারী অর্থনীতিবিদের সঙ্গে এমন আচরণ করায় ক্ষমা চেয়েছিলেন কান। ১৯৬৭ সালে প্রথম বিয়ে করার পর আরও দুজনকে বিয়ে করেন কান। বর্তমান স্ত্রী সাংবাদিক অ্যান সিনক্লেয়ারকে বিয়ে করেন ১৯৯১ সালে। এএফপি।

চালের দাম বাড়ানোর জবাব বিএনপিকে দিতে হবে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যেহেতু বিএনপি ক্ষমতায় আছে আর চালের দাম এখন ৬০ টাকা সেজন্য তাদেরকেই জবাবদিহি করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় এ কথা বলেন।

আমরা বলেছিলাম ১০ টাকা দরে চাল খাওয়াবো। সে প্রতিশ্রুতি অবশ্যই রক্ষা করতাম। কিন্তু যেহেতু এখন বিএনপি ক্ষমতায় আছে সে জন্য আমরা দাম ঠিক মত আয়ত্ত্বের মধ্যে আনতে পারছিনা। অচিরেই আমরা ক্ষমতায় এসে দাম আয়ত্ত্বের মধ্যে আনব।

বিএনপি দাম বাড়াইছে আর আমরা বাল ফালাইছি


জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মফিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসনের জাপা (এ) দলীয় সাংসদ নাসিম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র সেলিনা হায়াত আইভী, সাবেক সাংসদ ও আওয়ামী লীগের নেতা এ কে এম শামীম ওসমান, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবু জাহের প্রমুখ। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার (অব.) এনামুল হক, বিদ্যুৎ ও জ্বালানিবিষয়ক সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া, সাংসদ সারাহ্ বেগম কবরী, গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক, নজরুল ইসলাম বাবু, আবদুল্লাহ আল কায়সার প্রমুখ।

বিপুলসংখ্যক মানুষ জাহাজ, লঞ্চ, নৌকা, ফেরি ও ট্রলারে চড়ে শীতলক্ষ্যাতীরের এই জনসভায় আসে। রং-বেরঙের পতাকায় সাজানো হয় সমাবেশস্থল ও নৌযানগুলো। ব্যানার, ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ডে ছেয়ে যায় পুরো এলাকা।
জনসভায় যোগদানের আগে প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ১০০ মেগাওয়াট ও বন্দর উপজেলার মদনগঞ্জে ১০২ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের উদ্বোধন করেন।

বিশ্বব্যাপী খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সব সময়ই খাদ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে চাই। তিনি বলেন, দেশে ১১ লাখ টন খাদ্য মজুদ রয়েছে। খাদ্যের জন্য কেউ কষ্ট পাবে না। তবে যেহেতু আমাদের পিছনদিকে খুব প্রেসার পড়ছে তাই এজন্য বিএনপি কে সাইজ দেওয়া হবে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সারের দাম তিনবার কমানো হয়েছে। আমরা বিনামূল্যে সার দিব বলেছিলাম। দেখতেই পারছেন আমরা সারের জন্য কোনো দাম রাখছি না। যে দামটা আপনাদের দিতে হচ্ছে সেটা হচ্ছে সারের বস্তার দাম। এই দূর্মূল্যের বাজারে পাটের ঘাটতি থাকায় বস্তার দাম খুব বেরে গেছে সেজন্য এই অসুবিধা। সেচেও ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকার তাদের পাঁচ বছরে এক মেগাওয়াটও বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারেনি। অথচ আওয়ামী লীগ গত দুই বছরে এক হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়িয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বাবার আদর্শের রাজনীতি করি। প্রয়োজনে মা, বাবা, ভাইয়ের মতো রক্ত দিয়ে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করব। বাবার মত না পারি তবে কাছাকাছি ৭৪ এর মত দূর্ভিক্ষ না আনলে আমি কি আর বাপ কা বেটি?” সব শেষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর দলকে নির্বাচিত করার মাধ্যমে বিএনপির ক্ষমতার অবসান ঘটিয়ে আবার ১০ টাকার চালের দিন ফিরিয়ে আনার জন্য জনগনকে আহবান জানান। ঘেটু টেলিভিশন বিটিভি সম্পূর্ণ অনুষ্ঠান ভিডিও করে।

ঘুষখোর সুদখোরদের দিয়ে দেশের কল্যাণ হবে না :প্রধানমন্ত্রী

সুদমুক্ত ব্যাংকিং চালু করতেই আমরা এবার ওয়ার্ল্ডকাপের স্পন্সর করেছি ইসলামী ব্যাংককে। আর সুদ নির্মূল করার জন্য আমরা এক সূদ খোরকে পাছায় লাত্থি মেরে তার ব্যাংক থেকে বের করে দিলাম। দেশের উন্নতির জন্য আসলে প্রয়োজন লগি বৈঠার ব্যাপক রপ্তানি। এছাড়া পরিসেবা খাত হিসাবে লগি-বৈঠা চালনা শিক্ষাও একটা গুরুত্ব পূর্ন খাত হয়ে উঠবে। এজন্য আমি ছাত্রলীগকে আমি নির্দেশ দিয়ে রেখেছি।

এমনভাবেই ১৭ মার্চ জাতির ড্যাডি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস পালন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপনী দিনে গতকাল শুক্রবার বিকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা রাখছিলেন প্রধানমন্ত্রী ড. হাসিনা।

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খাদ্যমূল্য সারাবিশ্বে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। আর কত দাম কমিয়ে রাখা যায়? তিনি বলেন, তবুও দেশের মানুষ যাতে কষ্ট না পায় সেজন্য সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, যত টাকাই লাগুক, খাদ্য নিয়ে মানুষকে কষ্ট পেতে দেব না। তিনি বলেন, বিদেশ থেকে ৪০/৪৫ টাকা কেজি দরে চাল আমদানি করে ভর্তুকি দিয়ে আমরা ২৪ টাকায় সারাদেশে ওএমএসের চাল বিতরণ করছি।

বসুন্ধরার মালিক শাহ আলম বিল গেটসের পথ ধরলেন

বিল গেটসের মত বসুন্ধরা গ্রুপ, কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, বাংলানিউজ২৪, বসুধা রেডিও এর মালিক শাহ আলমও সম্পদের ৫০% দান করে দিলেন। তিনি বলেন আমাকে মানুষ কত কিছু বলে ভূমি দস্যু, ঋণ খেলাপী, কালো টাকার ব্যবসায়ী ব্লা ব্লা ব্লা! এই সব লোকের মুখ বন্ধ করে দিতে আমি ঠিক করেছি আমার সম্পত্তির ৫০% পার্সেন্ট আমি ফিফটি ফিফটিতে দান করে দিচ্ছি!

আমি আমার ব্যাঙ্কের ঋণও আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে দান করতে চাই! তার ব্যাঙ্ক ঋণের পরিমাণ কত জানতে চাইলে তিনি বলেন ছেলেদের বেতন, মেয়েদের বয়স আর শিল্পপতিদের ব্যাংক ঋণের পরিমাণ জিগাইতে নাই। আমাদের দেশের সাংবাদিকরা এই সব মাইনা চলতে চায় না… এই কারণে তিনি এত পত্রিকা, রেডিও চ্যানেল খুলেছেন…যাতে কেউ তার সম্পত্তির পরিমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে না পারে।

ঠাডা প্রতিনিধির অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন “এই দান শুধুমাত্র বৈধ সম্পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।”
অবৈধ সম্পদের ব্যাপারে তিনি বলেন সে যে আমার সম্পদ নহে, সম্পত্তি!


কী চমৎকার দেখা গেল