আবুল’ জুনিয়র ও সিনিয়র এর মধ্যে নাম নিয়ে বিরোধ!!

‘আবুল’ জুনিয়র ও সিনিয়র এর মধ্যে নাম নিয়ে মতোবিরোধ দেখা দিয়েছে। আবুল সিনিয়র “আবুল মাল” গতকাল এক বৈঠক পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে নিজের দাবীর পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন “আমার নাম আবুল মাল আব্দুল মহিত। সবাই আমাকে ‘আবুল’ নামে ডাকে। আমিও এতে মজা পাই। কিন্তু জুনিয়র ‘আবুল’ এর কারণে আমি আমার নাম হারাতে বসেছি।” তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার সময় নৌ মন্ত্রী শাহজাহান তার সাথে ছিলেন।
গতকালের এক বৈঠকে নৌমন্ত্রী যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষন করার জন্য “আবুল” নামে তাকে সম্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত অর্থমন্ত্রী নৌমন্ত্রীর কথার প্রতিবাদ করে বৈঠক থেকে ওয়াক আউট করেন। পরে অর্থমন্ত্রীকে স্যরি বলায় তিনি বৈঠকে যোগদান করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিষয়টি ক্লিয়ার করার জন্য অর্থমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলন এর আয়োজন করেন।

আমার আবুল হাসে

কারও হাসির সৌন্দর্যই কারও চাইতে কম না


সাংবাদিক সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী নিজের নামের পক্ষে জোরালো দাবী উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন,“এ নাম আমার । আমাকে ‘আবুল’ নামে সবার কাছে পরিচিত। এমনকি অনেক বিদেশী দাতা সংস্থায়ও আমাকে প্রধানমন্ত্রী ‘আবুল’ নামে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। এক নামে আমি দেশে বিদেশে পরিচিত। যোগাযোগ মন্ত্রী ‘আবুল হোসেন’ এর নাম ‘হোসেন’ করা হোক। আমিই ‘আবুল’ আমাকেই সবাই ‘আবুল’ নামে ডাকুক।”

এ বিষয়ে যোগাযোগ মন্ত্রী “আবুল হোসেন” এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন-“তিনি তো ‘মাল’। উনার মাথায় এত বড় টাক দেখে অনেকেই ওনাকে ‘মাল’ নামে ডাকে। আমরাও উনাকে ‘মাল’ নামে ডাকতে চাই।” নিজের আবুল নামের পিছনে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন-“ছোট বেলা থেকে আমি একটু সহজ সরল । তখন থেকে সবাই আমাকে ‘আবুল’ নামে ডাকে। এমনকি আমার মাও ‘আবুল’ নামে ডাকে। আমি আমার মায়ের দেয়া নাম চেইঞ্জ করতে পারব না।”
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অর্থমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কয়েকদিনের মধ্যে এ বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রীপরিষদের মিটিং এর সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় এর এক কর্মকর্তা।

Advertisements

রাফাহ সীমান্ত খুলে দেওয়ায় ব্যাপক ডিম পাচার হওয়ার আশংকা করছে ইজরাইল

মিশর সম্প্রতি ফিলিস্তিনের গাযা সীমান্ত খুলে দেওয়ায় গাযা থেকে চোরাচালানীর আশংকা প্রকাশ করেছে ইজরাইল। ইজরাইলের হোম এফেয়ার্স দেখাশোনা করে যে মন্ত্রনালয় তার মুখপাত্র জানিয়েছেন যদি অনেক ডিম গাযা থেকে মিশরে পাচার হয়ে যায় তাহলে তা খুবই চিন্তার কারন। ডিমের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ইজরাইল তাদের ধুনফুন দাবী মিশরের কাছে তুলে ধরেছে।

এদিকে ইজরাইলের পশুসম্পদ মন্ত্রনালয় দাবী করেছে ডিমের সাথে সাথে প্রচুর দুম্বার পাছাও মিশরে দেদার পাচার হয়ে যাচ্ছে। দুম্বার পাছার অভাবে খুব হাহাকার পড়ে গেছে আশকেলোন থেকে নাজারেটস পর্যন্ত ইজরাইলের শহর থেকে গ্রামগুলোতে। এখন ডিম আর দুম্বার পাছার অভাবে কি খেয়ে ইজরাইলীরা বেঁচে থাকবে তা নিয়ে সবাই শঙ্কিত।

ডিমের অভাবে ইজরাইল দিশেহারা

পুরো বিষয়টা খতিয়ে দেখতে দফায় দফায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। দিশেহারা ইজরাইলি সরকার কনসালটেন্ট হিসাবে সাহারা খাতুনের নাম প্রস্তাব করেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসের ২য় সপ্তাহে সরেজমিন তদন্ত করতে ইজরাইল পৌঁছানোর কথা রয়েছে সাহারা খাতুন এর।

এদিকে এই ডিম পাচারকে কেন্দ্র করে যে পলিটিকাল ইকনমিটা গড়ে উঠেছে তা নিয়েই নতুন বইয়ের প্লট ঠিক করেছেন বোতলবাজ অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাত। বইটির সম্ভাব্য নাম পলিটিকাল ইকনমি অফ এগ স্মাগলিং উইথ রেফারেন্স টু মৌলবাদের অর্থনীতি। তিনি এই বইতে দেখাচ্ছেন যে আসলে ইরানের পারমানবিক প্রকল্পগুলোও টিকে আছে এই ডিম পাচারজনিত ব্যবসার মুনাফার উপরে।

এরকম সমৃদ্ধ দিন কি আবার ফিরে আসবে ইজরাইলের?


এদিকে ডিম পাচারের মত জাতীয় গুরুত্বপূর্ন ইস্যুতে ইজরাইলের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুভদৃষ্টি কামনা করেছে ইজরাইল। ডিমপাচার রোধ করার জন্য শীঘ্রী হামাসের উপর উপর্যুপুরি বিমান হামলা শুরু হবে এই ইংগিতও দিয়েছে ইজরাইল। ইজরাইলের অভিযোগ হামাস গোপনে ডিম পাচারের নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। এই প্রযুক্তিতে এখন আর বহন করে ডিম পাচার করতে হয়না। বাল্ক পরিমান ডীম ভাল করে লেপ তোষক মুড়ে রকেট লাঞ্চারের আগায় জুরে দিলেই তা পৌঁছে যাচ্ছে মিশরে। অন্যদিকে রুখবোই ডিম পাচার শীর্ষক ক্যাম্পেইন শুরু করেছেন লাস্যময়ী লেসবিয়ান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিপি লিভনী।

ইজরাইল থেকে ডিম পাচারের রুট এবং হামাসকে ডিম পাচারের অপরাধে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার নিশানা

ডিজিটাল জব্বার কাগুর নতুন শিশু থ্রিলার

বিজয় 3g মোবাইলে নতুন পেটেন্ট চামারীর কৌশলরত কাগু

বেরিয়েছে বেরিয়েছে!!! আমাদের সবার প্রিয় মোস্তফা জব্বার কাগু ছোট্ট সোনামণিদের জন্য এক সম্পূর্ণ শিশু থ্রিলার বই বের করেছেন। বইটির নাম “একটি প্যাটেন্ট চুরির গপ্পো” ।

বইতে জব্বার বেপারী নিজেই প্রধান চরিত্র । “বিজয় কি-বোর্ড সফটওয়্যার” এর প্যাটেন্ট চুরির শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানকে কেন্দ্র করে কাহিনী এগিয়েছে । রহস্যে ঘেরা বইটিতে পাতায় পাতায় টান টান উত্তেজনা ।বইটি পড়লে যে কেউ চলে যাবে এক ডিজিটাল চোরের রাজ্যে । এমনকি প্যাটেন্ট চুরির খেয়ালও মাথায় চেপে বসতে পারে ।
ভূমিকায় স্বাগত বার্তা লিখেছেন বুয়েটের মেধাবী ছাত্র মুনিরুল আবেদিন পাপ্পানা । অতি প্রত্যাশিত এই বইটি বের করার জন্য তিনি জব্বার বেপারীকে সাধুবাদ জানান । তিনি লিখেছেন,
“জব্বার ব্যাপারী ত ভালই আত্মজীবনী লিখেছেন । এবার আশা করি মানুষ বিজয় কি-বোর্ডের আসল ডেভেলাপারকে চিনতে পারবে” ।

ঝমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বইটির মোড়ক উন্মোচন হয় । অনুষ্ঠানের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম শেখ হাসিনার শারীরিক উপস্থিতি হয়ত ছিল না কিন্তু তার ডিজিটাল বার্তা প্রজেক্টরে দেখানো হয় ।জব্বার বেপারী আশা প্রকাশ করেন নতুন নতুন প্যাটেন্ট চুরি সম্ভব হলে “আনন্দ কম্পিউটার্স” এক সময় মাইক্রোসফট, ওরাকল, অটোডেস্ক এর মত জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে ।
একই দিনে ডিটিজাল বার্তা ও জব্বার বেপারীর স্বপ্নসাধ শুনে দর্শকরা হতবিহবল হয়ে যান । তারপর তারা করতালিতে মেতে উঠেন । “তাদের করতালি আওয়াজে পাশের গ্রহের আগ্নেয়গিরি ফেটে গেছে”, দাবী করেছেন নাসার এক বিজ্ঞানী ।অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক অভিভাবক আবেগে আপ্লোত হয়ে জব্বার বেপারী সম্পর্কে তাঁর অনুভুতি ব্যক্ত করেন, “চোর ত নয় যেন সাক্ষাত এক বুদ্ধির কুমরা” ।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিশুরা উল্লাসে লাফাচ্ছিল । তাদের একটাই কথা, “লিচু চোর দিয়ে আর কত খাব । এবার আসল চোরের গল্প শুনতে এসেছি” ।

যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার আইএমএফের প্রধানঃ এরশাদ আমার অনুপ্রেরনা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান দমিনিক স্ত্রস কানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গত শনিবার নিউইয়র্কে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিউইয়র্ক পুলিশের উপ-মুখপাত্র রায়ান সিসা সাংবাদিকদের জানান, স্ত্রস কানের বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ, অবৈধভাবে আটকে রাখা ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। ৩২ বছর বয়সী এক নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, নিউইয়র্কের একটি হোটেলের কক্ষে কান ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই নারী ওই হোটেলেরই কর্মী। গ্রেপ্তারের পর প্রথম রাতের রিমান্ডে তিনি অজানা অনেক তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন লেজেহুমু এরশাদ তার আইডল, তার অনুপ্রেরনার উৎস।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ৬২ বছর বয়সী কান শনিবার এয়ার ফ্রান্সের একটি ফ্লাইটে করে জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার প্রাক্কালে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা বলেন,‘কানকে গ্রেপ্তারের পর তাঁকে কিছু সময় আমাদের হেফাজতেই রাখি। পরে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’ এনওয়াইপিডি রিমান্ডে অভিজ্ঞ লোক হিসাবে রেব এর একটি চৌকস দলকে আমন্ত্রন জানানোর কথা ভাবছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, কান তাঁর মুঠোফোন এবং ব্যক্তিগত কিছু জিনিসপত্র হোটেল স্যুটে রেখেই তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে গিয়ে প্যারিসগামী একটি বিমানে ওঠেন তিনি। বিমানটি ছাড়ার মিনিট দশেক আগে কানকে নামিয়ে আনা হয়। পুলিশ সূত্র জানায়, তারা জিজ্ঞাসাবাদে জানতে চেয়েছিলেন ৬২ বছর বয়সেও কিভাবে এত তেজ পান? এর জবাবে কান জানিয়েছেন এরশাদ ক্ষমতায় থাকা কালীন সময় থেকেই কান এরশাদকে ফলো করতেন। সে সময়ের এরশাদের ধর্ষকামীতা দ্বারা তিনি মারাত্নক প্রভাবিত। সেসময়ের আপাত যুবক এরশাদের প্রচুর লেডি কিল করার সাথে তিনি নিজের সাদৃশ্য টেনে নিজের কাজকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন আসলে ঐ মহিলার ছিনালীপনা দেখে তিনি নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। তিনি কেবলি ভাবছিলেন এরশাদ তার জায়গায় থাকলে কি করতেন?

ধর্ষনের আগে নিজেকে গুছিয়ে নিচ্ছেন কান

পুলিশ জানায়, দমিনিক কান শনিবার নিউইয়র্কের সোফিটেল হোটেলের একটি কক্ষে ওই হোটেলেরই একজন নারীকর্মীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই নারীকর্মী অভিযোগ করেন, তিনি দমিনিক কানের হোটেল স্যুটে প্রবেশ করলে কান তাঁর ওপর চড়াও হন। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ওই নারীকর্মীর বরাত দিয়ে জানায়, কক্ষ পরিপাটির কাজ করছিলেন তিনি। এ সময় কান তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এমএসএনবিসি টেলিভিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই নারী কানের হোটেল স্যুট থেকে বেরিয়ে এসে বিষয়টি হোটেলের অন্য কর্মীদের জানান এবং পুলিশকে ফোন করেন। নারীকর্মী বলেন, “আমার কোনো দোষ নাই, আমি খুব শালীন লো স্কার্ট আর টাইট ভদ্র টপ্স পড়ে সামান্য কোমর দুলিয়ে মার্জিত ভাবে রুমে ঢুকেছিলাম”।

কানের বিরুদ্ধে ওঠা এ অভিযোগ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি আইএমএফ। তবে এক কর্মকর্তা অফ দ্যা রেকর্ড বলেছেন এরশাদের সংগ কিভাবে এই লোক পেল তা বড়ই কৌতুহল উদ্দীপক!
দমিনিক স্ত্রস কান ২০০৭ সাল থেকে আইএমএফের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০০৮ সালেও যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। সেবার আইএমএফের উচ্চপদস্থ একজন নারী অর্থনীতিবিদের সঙ্গে এমন আচরণ করায় ক্ষমা চেয়েছিলেন কান। ১৯৬৭ সালে প্রথম বিয়ে করার পর আরও দুজনকে বিয়ে করেন কান। বর্তমান স্ত্রী সাংবাদিক অ্যান সিনক্লেয়ারকে বিয়ে করেন ১৯৯১ সালে। এএফপি।

জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররম রঙ করার দায়ীত্ব দেয়া হল পুলিশ কে

দেশের জনসাধারনের কাছে এক অনন্য ভালোবাসার স্থান পেয়ে আসছে বাংলাদেশ আর্মি। বিডিআর ও বাংলাদেশ এয়ার ফোর্স কিন্তু জনগনের খুব কাছাকাছি থেকেও তাদের হৃদয়ে স্থান নিতে পারে নি বাংলাদেশ পুলিশ। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন সরকারের উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি গবেষনা টীমের নির্বাহী সদস্য ও সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতি মন্ত্রী সাহারা খাতুন । কিছুদিন আগে হঠাৎ করেই গোলাপী রঙ এর পেইন্টারযান নিয়ে বায়তুল মোকাররমে হাজির হয়ে পুলিশের রাঙ্গা রাঙ্গি নিয়ে সৃষ্ট ধুয়াসা নিরসনে গতকাল এই সাংবাদিক সম্মেলন আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন আর্মি বিভিন্ন সময়ে রোড কালভার্ট নির্মানে এবং জন হিতৈশি কাজে অংশ গ্রহন করার কারনে জনগন তাদেরকে ভালোবাসে তাই আমরা চিন্তা করেছি এখন থেকে পুলিশকেও এমন কাজে নিয়োজিত করবো। এরই অংশ হিসেবে সেদিন বাংলাদেশ পুলিশকে জাতীয় মসজিদ কে রঙ করার জন্য পাঠানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের আইজি ও অন্যান্য চামচা আমলারা। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আসলে সেদিন মসজিদের আসে পাশে যারা ছিলেন পুলিশ তাদেরকেও রঙ করে দিয়েছে এটা ফ্রী এর জন্য পুলিশ বা সরকারের পক্ষ থেকে কোন চার্জ জনগন থেকে নেয়া হবে না। প্রথম দিন বলেই এভাবে মুসল্লিদেরকেও ফ্রী ফ্রী রঙ করে দেয়া হয়েছে। এত রঙ থাকতে মেয়েদের রঙ বলে খ্যাত গোলাপী রঙ কেন পছন্দ হল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আসলে মন্ত্রী ম্যাডাম নিজেই একজন মহিলা এবং আমাদের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেত্রীও একজন মহিলা তাদেরই সম্মানার্থে এই রঙ পছন্দ করা হয়েছে। সবশেষে মন্ত্রী মহোদয় রঙ এর পছন্দের ব্যাপারে বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের প্রধান মন্ত্রী মনমোহন সিং এর বিশেষ পছন্দের কথাও উল্লেখ করেন। এসময় তার মুখে লাস্যময়ী হাসি ঝুলে থাকতে দেখা যায়।

অত্যন্ত মনোযোগের সাথে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররম রঙ করছে পুলিশ

চীনের প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়া বাও এর সাথে খালেদা জিয়া মদ খাওয়ায় চীনে বিমান হামলার সিদ্ধান্ত নিল ওলামা লীগ

খালেদা জিয়া ২০০৫ সালে চীনের প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়া বাও এর সাথে একবার প্রচুর মদ খেয়ছিলেন। এর তীব্র প্রতিবাদ জানানোর ঈমানী দ্বায়িত্ব পালনে গতসপ্তাহে ওলামা লীগ একটি পোস্টার ছাপিয়েছে। এই পোস্টার থেকে খালেদা জিয়া কে বর্জন করার নৈতিক আহবান জানানো হয়েছে।

২০০৫ সালে ওয়েন জিয়া বাও এর সাথে প্রচুর মদ খেয়েছিলেন খালেদা জিয়া

ওলামা লীগ শীগ্রই বাংলাদেশকে একটি ছেকুলার ইসলামী রাষ্ট্র ঘোষনা করতে যাচ্ছে

সেখানে আরো বলা হয়েছে, মুসলিম প্রধান একটি দেশের বিরোধী দলীয় নেত্রী কিভাবে মদ খেতে পারেন। একই সংগে এই পোস্টারে আহবান জানানো হয়েছে যেহেতু চীন দেশের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাথে মদ খেয়েছিলেন তাই চীনে হামলা চালানোও আমাদের নৈতিক দ্বায়িত্ব।

পোস্টার প্রকাশনা অনুষ্ঠানে ওলামা লীগের সভাপতি বলেন যে, চীনে শীঘ্রী বিমান হামলা চালানো হবে। এ ব্যাপারে বিডিয়ার বিদ্রোহ খ্যাত মীর্জা আজম, নানক ও তাপসের সংগে তার কথা হয়েছে বলেও তিনি জানান। বাংলাদেশ আর্মির তরফে বন্ধু দেশ চীনে হামলার ব্যাপারে মৃদু প্রতিবাদ হওয়াতে ওলামা লীগের সভাপতি মাওলানা মীর ইলিয়াছ হোসাইন বিন হেলালী তাদের শাসিয়ে দিয়েছেন এই বলে যে কোনো হাঙ্কি পাঙ্কি করলে আরেকটা ২৫ শে ফেব্রুয়ারী ঘটিয়ে বিচি খুলে নেওয়া হবে।

Read more of this post

লিকডঃ আমেরিকা-ইজরাইল পাবলিক এফেয়ারস কমিটির ফেভারিট কল গার্লদের লিস্ট (ছবিসহ)

AIPAC (American Israel Public Affairs Committee) স্ক্যান্ডাল এবং AIPAC স্টাফ এর পর্ণো পতিতাদের জন্য লালসা ফাঁস হওয়ার পর আরব আমেরিকান ম্যাগাজিন কেবোবফেস্ট এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদক চেইম সুগারম্যান হাইলি ক্লাসিফাইড AIPAC পতিতাদের একটি লিস্ট পেয়েছেন। ঠাডাখোরদের জন্য এটা প্রকাশ করা হল।

স্বভাবগতভাবেই অন্য পতিতাদের মতই এক্ষেত্রেও দাম একটা নির্ধারনী উল্লেখযোগ্য ব্যাপার। পতিতার দাম যত বেশি পতিতার সংগসুখ ততোই বেশি উপভোগ্য। নিচে AIPAC পতিতাদের নাম এবং তাদের দর যেভাবে জানা গেছে, ঠাডাখোরদের জন্য হুবুহু সেভাবে তুলে ধরা হল।

1. Senator Joseph Lieberman ($1,228,010)
2. Senator John McCain ($823,267)
3. Senator Debbie Ann Stabenow ($308,553)
4. Senator Arlen Specter ($277,600)
5. Congressman Eric Cantor ($180,650)
6. Congresswoman Ileana Ros-Lehtinen ($147,857)
7. Senator Charles Schumer ($158,749)
8. Ray Hanania (A dozen donuts)
9. Congresswoman Shelley Berkley ($115,501)
10. Bibi Netanyahu (Invite him to speak at your Gala)

যদিও সেনেটর জো লিবারম্যান মোটেও গুড লুকিং বা ইয়াং নন তবুও তিনিই সবচাইতে বেশী খদ্দের জুটিয়ে সবচেয়ে বেশি পয়সা বানিয়েছেন। AIPAC হাই এন্ড পতিতাদেরকে সব ধরনের রাজনৈতিক আইডিওলজি থেকেই ভাগিয়ে থাকে। এই ব্যাপারটা AIPAC এর নির্বিচার promiscuous ভাবে পতিতা নির্বাচন এবং বিচিত্র স্বাদ অভিলাষ এর কথাই প্রমাণ করে।

গোয়েন্দা প্রতিবেদক চিয়াম সুগারম্যান নিশ্চিত করেছেন যে, AIPAC’s মোস্ট ফেভারিট পর্ন সাইটের মধ্যে রয়েছে সেনেটর ম্যাককেইন screwing রিপাবলিকান পার্টি এবং সেনেটর জোসেফ লিবারম্যান ডেমোক্র্যাটিক পার্টিতে ঢোকার জন্য playing hard এবং fingering their leadership। খ্যাতনামা ব্লগার AIPAC সমালোচক এম জ রোজেনবার্গ বলেন, আমি সবকিছু খোলাখুলি বলতে পারবনা ( এটা একটা এক্স রেইটেড ডকুমেন্ট)।

%d bloggers like this: