ভিন্ন খবর : মানুষ-রোবট পার্থক্য কমানোর চেষ্টা

মানুষ আর রোবটের মধ্যকার ব্যবধান আরও কমিয়ে আনার চেষ্টা করছেন জার্মানির বিজ্ঞানীরা। তারা মনে করছেন, রোবটকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আরও ব্যবহার করতে হলে একে আরও ব্যবহারবান্ধব করে গড়ে তুলতে হবে।

রোবট শব্দটি শুনলেই মনে হয় ধাতব কোনো যন্ত্র, যাকে কোনো নির্দেশনা দিলেই দ্রুত তা করে দিচ্ছে। কণ্ঠস্বরে যান্ত্রিকতা, দুই চোখের জায়গায় দুটি লাল বাতি। এখন পর্যন্ত এটাই সত্য। তবে এর আকৃতিতে পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। বিভিন্ন ধরনের ও আকারের রোবটও পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি যেসব বিজ্ঞানীরা ছিঁড়তে ছিঁড়তে বোরড হয়ে গেছে তারা নতুন ধরনের শুয়ার আকৃতির রোবোট বানিয়েছেন। এই রোবোটগুলার কাজকর্ম খুবই উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ইজরাইলি বিজ্ঞানীদের মত হবে।

সেই যে শুয়ারটা

জার্মানির বিখ্যাত গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিলেফেল্ড কগনিটিভ ইন্টারেকটিভ টেকনোলজি সেন্টার অব এক্সেলেন্স তথা সাইটেক এবং রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর কগনিশন অ্যান্ড রোবোটিক্স তথা কোর-ল্যাবের বিজ্ঞানীরা চেষ্টা করছেন রোবটকে কিভাবে আরও মানুষের কাছাকাছি নিয়ে আসা যায়। এজন্য যে জিনিসটি সবার আগে প্রয়োজন তা হলো অনুভূতি। এই অনুভূতি তৈরীর প্রথম ধাপ হচ্ছে রোবোটরাও যাতে লুঙ্গি পড়তে পারে, অথবা প্রয়োজনের সময় আয়েশ করে আপছু চুলকাতে পারে সে ব্যাবস্থা করা হবে।

রোবট নিয়ে গবেষণার উদ্দেশ্যের ব্যাপারে বিজ্ঞানী হেলগে রিটারের কথা, তাদের দরকার নানা ধরনের সক্ষমতা। রোবটকে তার আশপাশের অবস্থা এবং আমি কী চাচ্ছি তা তাকে বুঝতে হবে। আসলে আমরা এমন মডেলের রোবট তৈরি করতে চাই, যে একজন ভালো গেলমান হতে পারবে। আগের আমলে রাজা বাদশাহ দের খোঁজাদের মত আরকি।

নতুন এই রোবট নিয়ে নানা ধরনের পরীক্ষা চালাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। রোবটটি একটি বোয়াম ধরতে এবং সেটির মুখ খুলতে পারে কিনা তা তারা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছিল। খুব ধীরে হলেও শেষ পর্যন্ত রোবটটি তা করতে সক্ষম হলো। রোবটটিকে শুধু জিনিসপত্র ধরতেই শেখানো হচ্ছে না, বাচ্চাদের মতো করে আরও অনেক কিছু শেখানো হচ্ছে। এই যেমন দুই হাত পা ছড়িয়ে নাড়ানো, পাছু চুলকানো, ছেঁড়া ইত্যাদি।
তবে জার্মানীর বিজ্ঞানীরা রোবোটের সাথে মানুষের পার্থক্য কমাতে ব্যাপক ব্যাস্ত হলেও মানুষের সাথে মানুষের পার্থক্য কমাতে আগামী একহাজার বছরে কোনো পরিকল্পনা রাখেননি বলে জানিয়েছেন। জার্মানীর বিজ্ঞানীদের নেতা জানিয়েছেন, জাফর ইকবাল স্যার এর সায়েন্স ফিকশন পড়েই তিনি এ পেশায় উদ্বুদ্ধ হয়েছেন।

Advertisements

ডিজিটাল জব্বার কাগুর নতুন শিশু থ্রিলার

বিজয় 3g মোবাইলে নতুন পেটেন্ট চামারীর কৌশলরত কাগু

বেরিয়েছে বেরিয়েছে!!! আমাদের সবার প্রিয় মোস্তফা জব্বার কাগু ছোট্ট সোনামণিদের জন্য এক সম্পূর্ণ শিশু থ্রিলার বই বের করেছেন। বইটির নাম “একটি প্যাটেন্ট চুরির গপ্পো” ।

বইতে জব্বার বেপারী নিজেই প্রধান চরিত্র । “বিজয় কি-বোর্ড সফটওয়্যার” এর প্যাটেন্ট চুরির শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানকে কেন্দ্র করে কাহিনী এগিয়েছে । রহস্যে ঘেরা বইটিতে পাতায় পাতায় টান টান উত্তেজনা ।বইটি পড়লে যে কেউ চলে যাবে এক ডিজিটাল চোরের রাজ্যে । এমনকি প্যাটেন্ট চুরির খেয়ালও মাথায় চেপে বসতে পারে ।
ভূমিকায় স্বাগত বার্তা লিখেছেন বুয়েটের মেধাবী ছাত্র মুনিরুল আবেদিন পাপ্পানা । অতি প্রত্যাশিত এই বইটি বের করার জন্য তিনি জব্বার বেপারীকে সাধুবাদ জানান । তিনি লিখেছেন,
“জব্বার ব্যাপারী ত ভালই আত্মজীবনী লিখেছেন । এবার আশা করি মানুষ বিজয় কি-বোর্ডের আসল ডেভেলাপারকে চিনতে পারবে” ।

ঝমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বইটির মোড়ক উন্মোচন হয় । অনুষ্ঠানের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম শেখ হাসিনার শারীরিক উপস্থিতি হয়ত ছিল না কিন্তু তার ডিজিটাল বার্তা প্রজেক্টরে দেখানো হয় ।জব্বার বেপারী আশা প্রকাশ করেন নতুন নতুন প্যাটেন্ট চুরি সম্ভব হলে “আনন্দ কম্পিউটার্স” এক সময় মাইক্রোসফট, ওরাকল, অটোডেস্ক এর মত জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে ।
একই দিনে ডিটিজাল বার্তা ও জব্বার বেপারীর স্বপ্নসাধ শুনে দর্শকরা হতবিহবল হয়ে যান । তারপর তারা করতালিতে মেতে উঠেন । “তাদের করতালি আওয়াজে পাশের গ্রহের আগ্নেয়গিরি ফেটে গেছে”, দাবী করেছেন নাসার এক বিজ্ঞানী ।অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক অভিভাবক আবেগে আপ্লোত হয়ে জব্বার বেপারী সম্পর্কে তাঁর অনুভুতি ব্যক্ত করেন, “চোর ত নয় যেন সাক্ষাত এক বুদ্ধির কুমরা” ।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিশুরা উল্লাসে লাফাচ্ছিল । তাদের একটাই কথা, “লিচু চোর দিয়ে আর কত খাব । এবার আসল চোরের গল্প শুনতে এসেছি” ।

হিন্দি শিখলেই ইন্সট্যান্ট ক্যাশ অফার সাথে এয়ারটেল থেকে মেসেজ আসা বন্ধ*

আপনি কি হিন্দি জানেন? যদি না জেনে থাকেন তাহলে আপনার ক্ষ্যাতামো দূর করার উৎসাহ দিতে এয়ারটেল নিয়ে এল ইন্সট্যান্ট ক্যাশব্যাক অফার। হিন্দি শিখে আমাদের কাস্টমার কেয়ারে একটি মাত্র কল করুন। আমরা সরাসরি মারাঠি আওরাত দিয়ে আপনার হিন্দি টেস্ট করিয়ে নেব। আপনাকে কয়েকটি মাত্র প্রশ্ন করেই আমরা আপনার IHLTS স্কোর জানিয়ে দেব। আপনার স্কোর ৪.৫ এর বেশী হলেই পেয়ে যাবেন ১১.৯৯ টাকা বোনাস [শর্ত প্রযোজ্য]

এছাড়াও এয়ারটেল নিযেই নিয়ে এসেছে হিন্দি কোর্স। এই কোর্স করলে আপনি সাবলীল ভাবে হিন্দিতে কথা বলতে পারবেন। তবে এই কোর্সে শুধুমাত্র উঁচুশ্রেণীর ছাত্রদের নেওয়া হয়। এই কোর্সে ভর্তির যোগ্যতা হচ্ছে নিচের ডায়ালগ টি সঠিকভাবে হিন্দিতে অনুবাদ করতে পারা। তাহলে আর দেরি কেন? হিন্দিতে অনুবাদ করুন নিচের লাইনটি আর চলে আসুন আমাদের মারাঠি-গুজরাটি আওরাতদের কাছে।

*মেসেজ আসা বন্ধ থাকবে ২ দিনের জন্য

গো হিন্দি, গো স্মার্ট

Matrix এর সিকুয়েল এর কাজ শুরু

KEANU REEVes জানিয়েছেন তারা matrix এর ৪র্থ পর্ব তৈরি করবেন। এত দিন টেকনোলজিতে পৃথিবী পিছিয়ে ছিল। কিন্তু ডিজিটাল বাংলাদেশ তাঁদের নতুন করে স্বপ্ন দেখাচ্ছে। বাংলাদেশের অভাবনীয় উন্নতিতে তারা আশাবাদী। বাংলাদেশ থেকেই নতুন মুভির সেটিং আমদানী করা হবে। উল্লেখ্য এই আমদানী বাংলাদেশের জিডিপির ৭৫% বৃদ্ধি করবে বলে বাংলাদেশের কয়েকজন বোতলবাজ অর্থনীতিবিদ মনে করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে “বাংলা কম্পিউটিং এর জাতির জনক” জব্বার কাগু বলেন ম্যাট্রিক্স ৪ বাংলা কম্পিউটিং এর জন্য মাইলফলক। তিনি কিয়ানু রিভসকে একটি বিজয় কিবোর্ড এর সিডি গিফট করেন।

জব্বার কাগু আরো বলেন খবরদার পাইরেসি করবি না। তাইলে কিন্তু মামলা করমু। তবে এরপরই তিনি দাঁত বের করে বলেন হেহে ১০০% ভাইরাস মুক্ত। [তবে অধিক সুরক্ষার জন্য এণ্টী ভাইরাস লাগলে সেটা কিনে ব্যবহার করার উপদেশ তিনি। পাইরেসি খুব খারাপ জিনিস।] এছাড়া তিনি কাগু আশা প্রকাশ করেন যে বিজয় যে ১০ হাজারটাকার সুপারল্যাপটপ নিয়ে আশার প্যাচাল গত দুইবছর ধরে বলছে তাও তিনি কিয়ানু কে গিফট করবেন। ম্যাট্রিক্স এর এডিটিং এই লেপ টপ দিয়েই হবে বলে কাগুর দৃঢ় আশা।

স্বাদ নেওয়া যাবে নিতম্ব দিয়েই

সম্প্রতি ইউরোপে নিতম্বের মাধ্যমে স্বাদ নেওয়ার যন্ত্রের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। গে লেসবিয়ান বিবাহ বৈধ করার পর এই ধরনের খবর ইউরোপে খুবই মামুলি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই যন্ত্রের মাধ্যমে কোনো খাবারের স্বাদ মানুষের নিতম্বের মাধ্যমে সরাসরি আলজিহবা এবং পাকস্থলিতে পৌঁছে যায়। খবর বিবিসি অনলাইন-এর।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, যেসব রোগী মুখ দিয়ে খেতে মজা পায় না তাদের জন্য খাবার নিতম্বে পৌঁছে দেবার এই ডিভাইসটি উদ্ভাবন করেছে রয়াল ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর গে পিপল (আরএনআইজি)। বাটুকবাইট নামের এই ডিভাইসটি নিতম্বের ওপরের বাম পাশে বা বসিয়ে নিতে হয়।

আরএনআইডি-এর গবেষকরা সতর্ক করে দিয়েছেন, এই যন্ত্রটি সব রোগীদের জন্য সমান কার্যকর নাও হতে পারে।

বিডিঠাডাটোয়েন্টিফোরডটকম/এমএইচ/এইচবি/এইচআর/মার্চ ১৭/১১

%d bloggers like this: