বিজয়ের মাসে বাংলাদেশ দলের কোচ পাকি সাকলায়েন- একি সহ্য হোতা হ্যায়? জাফর ইকবাল

Image
পাকিস্তানী রাজাকার যুদ্ধাপরাধীকে বাংলাদেশের জাতীয় দলের কোচ বানানোয় বাংলাদেশের খেলা দেখা ছেড়ে দিয়েছেন নাসা (NASA) র সর্বাকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ও বিশিষ্ট অনুবাদ সাহিত্যিক জাফর ইকবাল। বাংলাদেশের খেলার বদলে ঐ সময়টাতে মুন্নি বদনাম হুয়ি দেখে কাটাচ্ছেন তিনি। গতকাল বাংলাদেশের বিজয়ের পর মতির আলো পত্রিকায় লেখা তার নিয়মিত কলাম সাদাসিধে কথায় তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে তিনি সাকলায়েন মোস্তাককে দেশ থেকে বের করে দেওয়ারও দাবী জানান।

জাফর ইকবাল বলেন তিনি তাঁর জানা মতে কখনও কোনো পাকিস্তানীর সাথে হ্যান্ডশেইক করেন নি। যে টিভিতে পাকিস্তানী কাউকে দেখায় সেই টিভি তিনি দেখেন না। একই কারনে তিনি সেজান জুস খান না। তিনি কিভাবে সাকলায়েন মোস্তাক কে সহ্য করবেন? স্মৃতিচারন করে তিনি লিখেছেন বাংলাদেশ জেতার পর যখনই সাকলায়েন মাঠে নেমে এসে ক্রুর হাসি দেওয়া শুরু করল তখন তিনি একধরনের অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে সে দিকে তাকিয়ে ছিলেন।

তিনি লিখেছেন আমি অনেক চিন্তা করেছি, কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারিনি, কেমন করে বাংলাদেশের মতো রক্তস্নাত একটি দেশে, যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছে, সেখানে একজন মানুষ মুক্তিযুদ্ধ কিংবা মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা ড়াজাকার আলবদ্র জামায়াত শিবিরের সাহায্যকারী দোসর পাকিস্তানে জন্ম নেওয়া একজন দাঁড়িওয়ালা মুশকো জওয়ানকে কিভাবে বাংলাদেশের বোলিং কোচ বানানো হল?

তিনি লিখেছেন তিনি খুব আশাহত হয়েছেন। তবে বাংলাদেশের লোমশ তরুন সমাজের একমাত্র কন্ঠস্বর বমি বহমান শিয়াল তাকে হতাশ করেনি- সে এব্যাপারে কর্মসূচী ঘোষনা করেছে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে যৌবনযাত্রা পর্নসাইটে সাকলায়েন এর স্ক্যন্ডাল আপলোড করা, “মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোন” নামের ফেছবুক পেইজ থেকে সেই স্ক্যান্ডাল শেয়ার ও লাইক দেওয়া, আমারব্লগে গোটা দুইটা ব্লগ পোস্ট লেখা ও স্টিকি করা এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সাকলায়েনের ডামি নিতম্ব প্রতিস্থাপন করে সেখানে নিয়ম করে সকাল বিকাল ঘৃণা জানাতে যাওয়া।

সেজান জুস পাকিস্তানি হওয়ায় সেজান জুস বর্জন করলেও নিজের স্ত্রীর হাতের রান্না কেন বর্জন করছেন না এই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন সে ৭১ এর আগে পাকিস্তানে ছিল, পরে না, সে হিসাবে তো আমিও পাকিস্তানী।

জাফর ইকবাল জানিয়েছেন যতদিন সাকলায়েন দেশ ছেড়ে না যাচ্ছেন ততদিন তিনি লুংগি পড়বেন না। সম্প্রতি মতির আলোতে কোনো লেখা লিখে ইন্টারনেটে লুংগি খুলে যাওয়ার সম্মুখিন হওয়াতে তার এই সিদ্ধান্ত কিনা জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, আপনে একটা ইয়াং লুক, আপনে জামাতের জন্য কাজ করেন আপনার লইজ্জা করেনা?

 

ইন্ডিয়ার বিশ্বজয় উপলক্ষে সকল সরকারী প্রতিষ্ঠান অর্ধদিবস বন্ধ থাকবে

মহাভারতের বিশ্বজয় উপলক্ষে বাংলাদেশের সকল সরকারী আধা সরকারী এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান আগামীকাল অর্ধদিবস বন্ধ থাকবে। বেলা বারোটার পর সকল অফিস বন্ধ করে ছুটি দিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

এদিকে ইন্ডিয়ার বিশ্বজয়ের ঠিক পর মূহূর্তে আমরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুখুকুর ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি আবেগের অতিশয্যের কারনে কথা বলতে না পারার জন্য আমাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। এসময় তিনি কোনো এক বিচিত্র কারনে আমাদের টেলিফোন অপারেটরকে মামা বলে ডাকছিলেন। তিনি এও বলেছেন পরে তিনি নিজেই ফোন করে ঠাডা প্রতিনিধির সাথে আলাপ করে নেবেন। প্রসংগত উল্লখ্য তাকে সাধারনত ফোনে পাওয়া অনেক কষ্টসাধ্য।

এদিকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট টুকটুকু বলেছেন কোনো বেসরকারী প্রতিষ্ঠান কাল ছুটী না দিলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে কদাচিৎ হেসে থাকেন যে টুকু তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে প্রতিটি বাক্যের শেষে ফিচকি ফিচকি হাসছিলেন।

ঢাবিতে স্ট্যাম্প এর অভাবে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে লাঠি খেলা: আহত ৮

ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৮ জন আহত হয়েছে। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে হলের মাঠে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকালে জগন্নাথ হলের প্রণব চন্দ্র দাশ বাবলু গ্রুপের কর্মীরা মাঠে ক্রিকেট খেলতে আসে। এর আগে রনি গ্রুপের কর্মীরা ওই মাঠে খেলার জন্য স্ট্যাম্প পুঁতে রাখে। বাবলু গ্রুপের কর্মীরা এসে ওই স্ট্যাম্প দিয়েই খেলা শুরু করে। পরে রনি গ্রুপের কর্মীরা মাঠে এসে তাদের খেলতে নিষেধ করে। তারা বলে বেশি কাবঝাব করলে তোদের প্রত্যেকের স্ট্যাম্প ছিড়ে ফেলব। একপর্যায়ে উভয় গ্রুপ লাঠি খেলা শুরু করে। এসময় উভয় দলই বলতে থাকে স্ট্যাম্প আসলে তাদের। এতে উভয় গ্রুপের ৮ জন আহত হয়। আহতরা হলো- বিশ্ব ধর্মতত্ত্ব বিভাগের ৪র্থ বর্ষের সৌরভ ও চিন্ময়, রাষ্ট্র বিজ্ঞান ৪র্থ বর্ষের নয়ন, একাউন্টিং ৪র্থ বর্ষের রুবেল, দুর্জয়, বাপ্পি ও চন্দন এবং নৃ-বিজ্ঞান ৪র্থ বর্ষের পুলক। পরে দুই দলের খেলার জন্য হল প্রশাসন পর্যাপ্ত মোটা লম্বা স্ট্যাম্প সরবরাহ করলে লাঠিখেলা বন্ধ হয়।

স্ট্যাম্পহীন কিছু উঠতি যুবক

আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে সৌরভ ও নয়নের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এত অসুস্থ হয়েও তারা হাসপাতালের বেডে শুয়ে বলতে থাকে আমাদের স্ট্যাম্প ওরা নিয়ে যাচ্ছে। ওদের শাস্তি দিন।

এ ব্যাপারে হলের প্রভোস্ট অজয় কুমার দাশ বলেন, ক্রিকেট খেলা নিয়ে ছাত্রদের মাঝে মারামারি হয়েছে। এ ঘটনায় ৩২ সদস্যের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত দোষীরা মাটির নিচে লুকিয়ে থাকলে তাদেরও শাস্তি দেয়া হবে। এঘটনার ছাত্রদল বা শিবির কোনোভাবে জড়িত কিনা তা পুংখানুপুংখভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইন্ডিয়ার বিশ্বজয় উপলক্ষে আজ অর্ধদিবস ছুটি থাকবে

মহাভারতের বিশ্বজয় উপলক্ষে বাংলাদেশের সকল সরকারী আধা সরকারী এবং স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান আগামীকাল অর্ধদিবস বন্ধ থাকবে। বেলা বারোটার পর সকল অফিস বন্ধ করে ছুটি দিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

এদিকে ইন্ডিয়ার বিশ্বজয়ের ঠিক পর মূহূর্তে আমরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুখুকুর ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি আবেগের অতিশয্যের কারনে কথা বলতে না পারার জন্য আমাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন। এসময় তিনি কোনো এক বিচিত্র কারনে আমাদের টেলিফোন অপারেটরকে মামা বলে ডাকছিলেন। তিনি এও বলেছেন পরে তিনি নিজেই ফোন করে ঠাডা প্রতিনিধির সাথে আলাপ করে নেবেন। প্রসংগত উল্লখ্য তাকে সাধারনত ফোনে পাওয়া অনেক কষ্টসাধ্য।

এদিকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট টুকটুকু বলেছেন কোনো বেসরকারী প্রতিষ্ঠান কাল ছুটী না দিলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হচ্ছে কদাচিৎ হেসে থাকেন যে টুকু, তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে প্রতিটি বাক্যের শেষে ফিচকি ফিচকি হাসছিলেন।

আমরা সহাবস্থানে বিশ্বাসী

ফেসবুক নিয়ে বিসিবিতে তোলপাড়

ফেসবুকে জাতীয় দলের ড্রেসিং রুমের অন্তরংগ ভিডিও চিত্র প্রকাশের পর এ নিয়ে পত্রিকার রিপোর্ট ছাপা হয়েছে। আর এতে বিসিবি কর্মকর্তাদের টনক নড়েছে। কর্মকর্তারা অনুসন্ধানে নেমেছে ফেসবুকে জাতীয় দলের ড্রেসিং রুমের ভিডিও কে প্রকাশ করেছে। তারা সন্দেহ করছেন এতে উৎপাদ এর হাত থাকতে পারে।

সন্দেহমুক্ত নন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটবিশেষজ্ঞ উৎপাদ

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুক্রবার ম্যাচ জেতার পর রাতে ড্রেসিং রুমে জাতীয় দলের সদস্যদের আনন্দ-উৎসব করার প্রতিটি মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়া হয়। সেই ভিডিওচিত্রটি এখন সবার কাছেই পাওয়া যাচ্ছে।

সংবাদ চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে সবার মনে একটি প্রশ্নই উঠেছে, ‘তাহলে কি ড্রেসিং রুম অরক্ষিত?’ সাধারণত ম্যাচ শেষ হলে বহিরাগত যারা ড্রেসিং রুমে নিয়মিত যান তাদের মধ্যে বাংলাদেশের জান বাংলাদেশের প্রাণ বিশিষ্ট ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ আনিসুল হকের দিকে সবার সন্দেহের আংগুল। মতি আর উৎপাদ এর যোগসাজশে তিনি এই কাজ করে থাকতে পারেন বলে অনেকেই আশংকা প্রকাশ করেছেন।

পত্রিকায় রিপোর্ট ছাপা হবার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কর্মকর্তারাও তাদের চর্বিযুক্ত পাছু এবং ভুঁড়ি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছেন। তদন্ত শুরু করে দিয়েছে বিসিবি। বিসিবি কর্মকর্তাদের মধ্যে আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি, জালাল ইউনুস আশ্বাস দেন দ্রুতই এ বিষয়ে সমাধান বের করা হবে। তবে টাইগারদের ড্রেসিংরুম যে একদিনের জন্য হলেও অরক্ষিত থেকেছে, সেটি কিভাবে সম্ভব হলো; এ নিয়েই এখন মাথাব্যথা কর্মকর্তাদের। ম্যাচ দেখতে আসা বিসিবি কর্মকর্তাদের কপালে ভাঁজ দেখা গেছে গতকাল জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে। কে এই ভিডিও বিশ্বের সামনে এনেছে? তাকে চিহ্নিত করা হবে দ্রুত এবং ড্রেসিং রুম থেকে যেন এরকম আর কোন বিষয় জনসাধারণের সামনে না আসে সেই পদক্ষেপও দ্রুত গ্রহণ করা হবে বলে জানালেন বিসিবির সহসভাপতি আহমেদ সাজ্জাদুল আলম ববি।

বাংলাদেশের জান বাংলাদেশের প্রাণ

বাংলাদেশ কেন ইংল্যান্ড কে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের স্বপ্ন দেখালো সেজন্য জুতা মিছিল

%d bloggers like this: